• শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৪:২২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সংবাদ শিরোনাম
শ্বাসকষ্টে ভুগে পথিমধ্যে প্রাণ গেল মোহন খানের মানবিক ও সমাজ সেবামূলক কাজে বিশেষ অবদান রাখায় হাফেজ্জী সেবা পদক ২০২৬ পেলেন রবিউল ইসলাম পলাশ পাংশায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক ফ্লিপচার্ট ব্যবহার কর্মশালা অনুষ্ঠিত সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা, গুণীজন সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ১৬ বছর পর সম্প্রচারে ফিরল চ্যানেল ওয়ান কোস্টগার্ডের জনবল দ্বিগুণ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুষ্টিয়ায় মোবাইল চুরির অভিযোগে লাঞ্ছিত: প্রতিবাদে পাংশায় সংবাদ সম্মেলন করল সোহাগ মিয়া বিয়ের প্রলোভনে রুপান্তরিত তরুণীকে দফায় দফায় ধর্ষণ ও অর্থ আত্মসাৎ: অভিযুক্ত আলিফ রুহানি উন্নয়ন সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত খুলতে চায় ঢাকা-ওয়াশিংটন ‘ইরান ভেনেজুয়েলা নয়’: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাফর আসাদি

আস্থায় চিড়ের প্রভাব পুরো ই-কমার্স খাতে

কাউসার আলম ঢাকা / ৩৩১ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশ সময় : সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১

দেশে বিকাশমান ই-কমার্স খাতে এই ‘শিক্ষা হওয়ার’ ঘটনা প্রভাব ফেলেছে ব্যবসার ওপর। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের প্রতারণায় স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা করা সুপরিচিত প্রতিষ্ঠানগুলোও বিপাকে পড়েছে। তিন ধরনের নেতিবাচক প্রভাবের কথা সামনে আনছেন উদ্যোক্তারা। যেমন ১. সার্বিকভাবে পণ্য বিক্রি কমেছে। কারও কারও ক্ষেত্রে বিক্রি না কমলেও বাড়ার হার কমেছে। ২. আগের চেয়ে বেশিসংখ্যক ক্রেতা এখন পণ্য হাতে পেয়ে তারপর মূল্য পরিশোধ করছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে সরবরাহকারী বাকিতে পণ্য দিতে রাজি হচ্ছেন। এতে প্রতিষ্ঠানে নগদ অর্থ বেশি লাগছে, যা ব্যবসার খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে। ৩. নতুন ক্রেতা যুক্ত হওয়ার প্রবণতা কমেছে।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আজকেরডিলডটকমের প্রধান নির্বাহী ফাহিম মাশরুর বলেন, তাঁর পর্যালোচনা অনুযায়ী পুরো ই-কমার্স খাত মিলিয়ে ফরমাশ ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমেছে।

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে ই-কমার্স ব্যবসা শুরু হয় মোটামুটি এক দশক আগে। তবে এই ব্যবসা কিছুটা গতি পেতে থাকে ২০১৩ সাল থেকে। ওই বছর ক্রেডিট কার্ড দিয়ে আন্তর্জাতিক কেনাকাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশে তৃতীয় প্রজন্মের ইন্টারনেট সেবা (থ্রি-জি) চালু হয়। সুসময় তৈরি হয় করোনাকালে। অনলাইনে চাল-ডাল থেকে শুরু মোটামুটি সব পণ্যই কিনতে শুরু করেন ঘরবন্দী ক্রেতারা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে এক হাজার ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) জানিয়েছে, তাদের সদস্য ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১ হাজার ৬০৯টি। তবে এই তালিকায় ফেসবুকভিত্তিক পণ্য বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানও রয়েছে।

* বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে দেশে ১ হাজার ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তদন্তের মুখে ১৪টি। * দুই বছরে বাজার বেড়েছিল ৫০% হারে।

ই-কমার্স খাতের লেনদেন ও বাজার বাড়ার হারের একটা ধারণা পাওয়া যায় বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে। তাদের হিসাবে, গত জুনে ই-কমার্স খাতে ব্যাংকের কার্ডে লেনদেন হয় ১ হাজার ২৭৭ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬০ শতাংশ বেশি। মুঠোফোনে আর্থিক সেবা বা এমএফএসের লেনদেন এই হিসাবের মধ্যে নেই।

ই-ক্যাব বলছে, ২০২০ ও ২০২১ সালে ই-কমার্স খাতে বাজার বাড়ে ৫০ শতাংশ বা তার বেশি হারে। বাজারের আকার বছরে ১৬ হাজার কোটি ছাড়িয়েছে। যদিও এ নিয়ে জরিপভিত্তিক হিসাব নেই।

রমরমা অবস্থায় সমস্যা তৈরি করে কিছু প্রতিষ্ঠান, যারা অস্বাভাবিক মূল্যছাড় দিয়ে সন্দেহজনক ব্যবসায়িক কৌশলে ক্রেতার কাছ থেকে বিপুল অর্থ সংগ্রহ করেছে। এখন কাউকে টাকা পরিশোধ করতে পারছে না। ইভ্যালি ও ই-অরেঞ্জের মালিকেরা এখন কারাগারে। একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের মালিক আত্মগোপনে। অনুসন্ধান চলছে মোট ১৪টি নিয়ে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরোও খবর
April 2026
S M T W T F S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
April 2026
S M T W T F S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031