• শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সংবাদ শিরোনাম
শ্বাসকষ্টে ভুগে পথিমধ্যে প্রাণ গেল মোহন খানের মানবিক ও সমাজ সেবামূলক কাজে বিশেষ অবদান রাখায় হাফেজ্জী সেবা পদক ২০২৬ পেলেন রবিউল ইসলাম পলাশ পাংশায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক ফ্লিপচার্ট ব্যবহার কর্মশালা অনুষ্ঠিত সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা, গুণীজন সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ১৬ বছর পর সম্প্রচারে ফিরল চ্যানেল ওয়ান কোস্টগার্ডের জনবল দ্বিগুণ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুষ্টিয়ায় মোবাইল চুরির অভিযোগে লাঞ্ছিত: প্রতিবাদে পাংশায় সংবাদ সম্মেলন করল সোহাগ মিয়া বিয়ের প্রলোভনে রুপান্তরিত তরুণীকে দফায় দফায় ধর্ষণ ও অর্থ আত্মসাৎ: অভিযুক্ত আলিফ রুহানি উন্নয়ন সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত খুলতে চায় ঢাকা-ওয়াশিংটন ‘ইরান ভেনেজুয়েলা নয়’: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাফর আসাদি

কেন অভিনেতা হতে চেয়েছিলেন ইনামুল হক

কাউসার আলম ঢাকা / ৫৪৫ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশ সময় : মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর, ২০২১

ইনামুল হক

ইনামুল হক

সেই সময়ে মনে হলো মানুষকে সচেতন করতে নাটকের বিকল্প নেই। সেই থেকে আমাদের প্রতিটি নাটকের পেছনে ভিন্ন ভিন্ন উদ্দেশ্য ছিল। সেই সময় মনে হলো, নাটক বিনোদন মাধ্যম হলেও এর মধ্য দিয়ে মানুষকে সচেতন করা যায়, অধিকার আদায়ের জন্য জাগিয়ে তোলা যায়। আন্দোলনের নাটকগুলো করতে গিয়ে জীবনের গভীর অর্থ খুঁজে পেলাম। তখন মনে হলো মানুষের সঙ্গে যুক্ত এই মাধ্যমটিতে কাজ করা যায়। এই চেতনায় তখন অভিনেতা হওয়ার গোপন বাসনা জেগেছিল।’

‘একাত্তরের ক্ষুদিরাম’ ছবির দৃশ্যে মামুনুর রশীদ, ফজলুর রহমান বাবু ও ইনামুল হক

ইনামুল হক মনে করেন, সংস্কৃতির মাধ্যমেই একটি জাতি পরিচিত হয়। এমনকি একটি জাতিসত্তা গড়ে ওঠে। ‘সেই চেতনাই আমাদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ করতে উৎসাহিত করেছে। সেভাবেই নাটককে চিহ্নিত করে কাজ শুরু করেছি। আমি এফ এইচ হলে থাকতাম। একটি সেশনে সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক ছিলাম। তখন থেকেই নাটকে অভিনয়, প্রযোজনা, পরে নিয়মিত নাটক লেখা শুরু করি। তখন আর নাটককে বিনোদন ভাবার সুযোগ ছিল না,’ কথাগুলো এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন ইনামুল হক।

১৯৬৮ সালে তিনি প্রথম ‘অনেক দিনের একদিন’ নামে একটি নাটক লিখেন। সেই নাটক প্রযোজনা করেছিলেন আবদুল্লাহ আল মামুন। ১৯৬৯ সালে টেলিভিশন নাটকের অভিনয়শিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

হৃদি হক ও ড. ইনামুল হক
হৃদি হক ও ড. ইনামুল হক

চলতে থাকে নাটক লেখা, অভিনয়। পরে অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধে। বঙ্গবন্ধু দেশে ফেরা উপলক্ষে ১০ জানুয়ারি ‘বাংলা আমার বাংলা’ নামে একটি মঞ্চনাটক লিখে অভিনয় করেছিলেন। এ ছাড়া ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করেও তিনি নাটক লিখেছিলেন। তিনি মনে করতেন, ‘নাটকের মধ্য দিয়েও একটি দেশকে তুলে ধরা যায়। দর্শকদের মধ্যে বেঁচে থাকা যায়। সৎ জীবন যাপন করা যায়।’
অভিনেতা, নির্দেশক, নাট্যকার ইনামুল ৭৮ বছর বয়সে ১১ অক্টোবর মারা যান। কাল সকালে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁকে শহীদ মিনারে নেওয়া হবে। পরে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরোও খবর
May 2026
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930  
May 2026
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930