মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনের একটি সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি বাংলাদেশের এই প্রভাবশালী নারী নেত্রীর মৃত্যুতে তার শোকসন্তপ্ত পরিবার এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি। ছবি- সংগৃহীত
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের এই শোকবার্তায় দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক গুরুত্ব এবং দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে তার ভূমিকার প্রতি বিশেষ সম্মান প্রদর্শন করা হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি তার বার্তায় উল্লেখ করেন যে, বেগম খালেদা জিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং জনগণের জন্য তার ত্যাগ সবসময় শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হবে। তিনি মরহুমার আত্মার চিরশান্তি কামনা করেন এবং প্রার্থনা করেন যেন মহান আল্লাহ শোকবিহ্বল পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার ধৈর্য দান করেন।
দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। গত ২৩ নভেম্বর থেকে হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় তার স্বাস্থ্যের চরম অবনতি ঘটে এবং শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে তিনি না ফেরার দেশে চলে যান। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যেমন বিশাল শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তেমনি আন্তর্জাতিক মহলেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এই শোকবার্তা প্রমাণ করে যে, বেগম খালেদা জিয়া কেবল বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নয়, বরং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও একজন অত্যন্ত সম্মানিত এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন।
সূত্রঃ ইত্তেফাক