বাড্ডা ও ভাটার থানার ওসি ও ওসি তদন্তের নাম ভাঙিয়ে জুয়ার সাম্রাজ্য- স্বৈরাচারের দোসর নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলীগের এজাহার ভুক্ত মমামলার আসামি হয়েও বেপরোয়া দিলীপ, ভাটারায় আমান-দিলীপের দাপট ।
রাজধানীর ভাটারা ও বাড্ডা থানা এলাকাজুড়ে আইনশৃঙ্খলার চরম প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, ভাটারা থানা ও বাড্ডা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং ওসি তদন্তের ঘনিষ্ঠ পরিচয় ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে বেপরোয়া তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে আমান ও তার সহযোগী দিলীপ কুমার।
অভিযোগ অনুযায়ী, দিলীপ কুমারের বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় দুটি মামলা থাকা সত্ত্বেও তিনি কোনো ধরনের আইনি বাধার মুখে পড়ছেন না। বরং এজাহারভুক্ত আসামি হয়েও প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন এবং আমানের সঙ্গে মিলে একটি বিস্তৃত অবৈধ নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, এই চক্র শুধু একটি নির্দিষ্ট স্থানে সীমাবদ্ধ নয়-বরং ধাপে ধাপে একটি বড় সাম্রাজ্যে রূপ নিয়েছে। তাদের প্রভাব এতটাই বিস্তৃত যে, এলাকায় ভয় ও নীরবতার সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাচ্ছে না, আবার কেউ প্রতিবাদ করতে গিয়ে হুমকির মুখে পড়ছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, নিজেদের প্রভাব জাহির করতে তারা প্রায়ই থানা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে থাকে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও ভীতি সৃষ্টি করছে। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
সচেতন মহলের মতে, কোনো মামলার আসামি যদি প্রকাশ্যে এভাবে প্রভাব বিস্তার করে অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে পারে, তবে তা শুধু আইনের শাসনের দুর্বলতাই প্রকাশ করে না-বরং অপরাধীদের জন্য এক ধরনের উৎসাহ হিসেবেও কাজ করে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের প্রশ্ন এখন একটাই-আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কতদিন চলবে এই প্রভাবের দাপট? এবং কবে নাগাদ এদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে প্রশাসন? আমান-দিলীপ কুমার এর নৈরাজ্য এমনি ভাবে কি চলতেই থাকবে?

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে দিলীপ কুমার। ছবি- সংগৃহীত