একজন পরীক্ষিত গীতিকার সুরকার সংগীত পরিচালক এবং সংগীত শিল্পী, শুরু থেকেই যিনি সুস্থ সংস্কৃতি বিকাশের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছেন সংগীতজন শেখ মিলন। সমাজ সচেতন এই শিল্পীর কাজের মধ্যে উঠে আসে সমাজের বিভিন্ন বিষয়, প্রেম বিরহ ঘুনে ধরা সমাজ ইত্যাদি। সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে সেই সংগীত জীবনের শুরু থেকেই বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের হয়ে কাজ করে চলেছেন।
কুষ্টিয়া কুমারখালী যার জন্মস্থান। কুমারখালী শীলন সাংস্কৃতিক সংগঠন দিয়ে যাত্রা শুরু। পরবর্তীতে ঢাকাতে এসে বাংলাদেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম সংগঠন ক্রান্তির একজন হয়ে, এরপর স্বভূমি সাংস্কৃতিক সংগঠনের একজন হয়ে এবং বর্তমানে স্বাধীকার সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রাণ পুরুষ হিসেবে কাজ করে চলেছে। সংগীতে বাংলাদেশের পরিচিত মুখ প্রায় অধিকাংশ শিল্পীর জন্যই গান করেছেন শেখ মিলন।
বাংলাদেশ বেতার বাংলাদেশ টেলিভিশন চলচ্চিত্র অডিও সহ বিভিন্ন মাধ্যমে অসংখ্য কাজ করলেও বর্তমানে তার স্বপ্নের একটি প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছেন, যে প্রজেক্টে থাকছে শুধুই ভাষার গান। পৃথিবীতে মাতৃভাষার জন্য জীবন দিয়ে রক্ত দিয়ে মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভবত আমরাই একটি জাতি সেই মাতৃভাষাকে নিয়ে গান করছেন। গানের সংখ্যা কত সেটি স্পষ্টভাবে না বললেও শেখ মিলন আকার ইঙ্গিতে বুঝিয়েছেন মাতৃভাষাকে নিয়ে ১০০ টি গান করার পরিকল্পনা রয়েছে,যার কাজ চলছে মগবাজার এলাকাতে তার নিজস্ব স্টুডিও গান মেলা তে।
গান লেখা সুর করা সংগীত আয়োজন করা এবং গাওয়ার পাশাপাশি শখের বসে শেখ মিলন বিভিন্ন টিভি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করে থাকেন। এছাড়াও বেশ কিছু টিভি নাটক রচনা এবং পরিচালনা করেছেন। সততা ও সুন্দরের সাথে আপোষহীন এই সঙ্গীতজন কাজ করার সুবাদেই পেয়েছেন অনেক সামাজিক স্বীকৃতি। এর মধ্যে যে দুটি স্বীকৃতি নিয়ে তিনি গর্ববোধ করেন তা হচ্ছে ফকির লালন শাহ স্মৃতি স্বর্ণপদ এবং মীর মোশারফ হোসেন স্মৃতি স্বর্ণপদক। যদিও শেখ মিলন বলেন কোন পদক প্রাপ্তির আশায় নই বরঞ্চ যতদিন বেঁচে থাকি আত্মার খোরাকের জন্য সমাজের জন্য মানুষের জন্য কাজ করে যেতে চাই।
