কবরী। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাস তাঁকে ছাড়া অসম্পূর্ণ। এই শিল্পের ভিত শক্ত করেছেন কবরী। অসাধারণ অভিনয় নৈপুণ্য সমৃদ্ধ এই নায়িকা আপামর জনসাধারণের কাছে ছিলেন জনপ্রিয়। চলচ্চিত্র সংস্কৃতিতে কিংবা রাজনৈতিক অংগনে তাঁর বিস্তারিত
১৯৫২ সালের ২৯ মে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। প্রখ্যাত এই অভিনেতা অভিনয় মাধ্যমের সবকটা শাখায় অভাবনীয় প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে গেছেন। বাংলাদেশের নাটক ও সিনেমায় এক উজ্জলতম নক্ষত্র তিনি। হুমায়ূন ফরীদি জন্ম:
লতা মঙ্গেশকর ১৯২৯ সালের ২৮শে সেপ্টেম্বর তৎকালীন ইন্দোর রাজ্যের রাজধানী ইন্দোর (বর্তমান মধ্যপ্রদেশ) জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা পণ্ডিত দীনানাথ মঙ্গেশকর একজন মারাঠি ও কোঙ্কিণী সঙ্গীতজ্ঞ এবং মঞ্চ অভিনেতা ছিলেন। তার মাতা শেবন্তী (পরবর্তী নাম
অঞ্জু ঘোষ একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। তিনি ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দেশের মোট ৬টি ভাষার ওপর ৩০০টিরও বেশি চলচিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি বেদের মেয়ে জোসনা চলচ্চিত্রে তার অভিনয়ের জন্য পরিচিত। তার আসল নাম অঞ্জলি ঘোষ। চলচ্চিত্র জীবনঃ বাংলাদেশের স্বাধীনতার
ঘটনাবলীঃ ১৩৮০ – কুলিকভোর যুদ্ধে রুশ সৈন্যরা তাতার এবং মঙ্গল সৈন্যের সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করে তাদের অগ্রযাত্রা রুখে দেয়। ১৪৪৯ – ‘তুমু’ যুদ্ধে মঙ্গোলিয়ানরা চায়নিজ রাজত্ব দখলে নেয়। ১৫০৪ –
ইমদাদুল হক মিলন। এই সময়ের বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে তাঁর পরিচয় তুলে ধরার কোন প্রয়োজন পড়ে না। গল্প, উপন্যাস এবং নাটক তিন শাখাতেই জনপ্রিয় তিনি। সময়কে ধরে রেখে সময় পেরিয়েও