বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
‘হাবিবি’ নিয়ে আসছেন নুসরাত ফারিয়া “এসো নিজেকে নিজে চিনি” পরিবার আয়োজিত বাউল গানের প্রতিযোগিতার গ্রান্ড ফিনালে ২০ অক্টোবর শুধুমাত্র অনুদানের সিনেমা দিয়েই মুখর সিনেপাড়া বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ও স্কটল্যান্ডের সম্ভাব্য একাদশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দেখা যাবে যেসব চ্যানেলে ‘বাংলাদেশকে আমরা পাপুয়া নিউগিনির চেয়ে ওপরে দেখি না’: স্কটল্যান্ড কোচ শেন বার্জার টি ২০ বিশ্বকাপ ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে আজ শুরু ইভ্যালির ওয়েবসাইট-অ্যাপ বন্ধের ঘোষণা কুমিল্লার ঘটনার পেছনের কারণ খোঁজা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ‘দেশ বিক্রি করে তো আমি ক্ষমতায় আসব না’ এটাই বাস্তব

সিরাজগঞ্জে এখনো উন্মত্ত যমুনা

জ.নি. রিপোর্টঃ
  • প্রকাশ সময়ঃ মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্ট ও কাজিপুর পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি দ্রুত কমতে শুরু করলেও  সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বাঘাবাড়ি পয়েন্ট পানি কমছে ধীর গতিতে। তবে পানি কমলেও সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর সবগুলো পয়েন্ট এখনও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি।

গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি আরও ২৬ সেন্টিমিটার কমে আজ মঙ্গলবার সকালে বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সময় যমুনা নদীর উজান কাজিপুর পয়েন্ট ৩৪ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে এবং শাহজাদপুর উপজলার বাঘাবাড়ী নৌ-বন্দর পয়েন্টে  মাত্র ১৩ সেন্টিমিটার পানি কমে বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার ওপর দিয় প্রবাহিত হচ্ছিল।

যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করায় জেলার অভ্যন্তরীণ ফুলজাড়, করোতায়া, ইছামতি, বড়াল নদীসহ   চলনবিলের পানি ধীর গতিতে কমতে শুরু করেছে। তবে বন্যাদুর্গত এলাকা থেকে পানি এখনো নেমে না যাওয়ায় মানুষের দুর্ভোগ কমেনি। সিরাজগঞ্জ ,বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুর উপজলার ৪০টি ইউনিয়নের এক লাখেরও বেশি পানিবন্দি মানুষ টানা ২৩ দিন জ্বালানির অভাবে রান্না করা খাবার, শিশুখাদ্য আর বিশুদ্ধ পানির সংকট দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে।

পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি সিরাজগঞ্জ জেলার নদী তীরবর্তী অঞ্চলে ভাঙ্গন বেড়েছে। গত একমাসে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানা ও চৌহালী উপজেলার অন্তত ২শ বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। গত দুই বছরে শুধু চৌহালী উপজেলার অন্তত ২৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান  নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। কাজিপুর উপজেলার পলাশবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জোড়গাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নতুন মাইজবাডী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জোড় বাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্তত ২০টি স্কুলে যোগাযোগ রক্ষাকারী সড়ক ও মাঠ  মাঠ এখনো পানিতে তলিয়ে  আছে।

সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায় জেলায় ২৫টি মাধ্যমিক, কারিগরি ও কলেজ এবং ৪৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এবং ঘরে পানি প্রবেশ করেছে।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা একে এম শফী উল্লাহ বলেন, জেলায় বন্যার কারণে ২৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি প্রবেশ করেছে। তিনি আরও বলেন, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠার চালুর প্রয়োজনীয় প্রস্ততি নেয়া হয়েছে। বন্যার কারণে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাকার্যক্রম চালু করা সম্ভব না হলে পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে সেই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ।

দয়া করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2021 Janatarnissash
Theme Dwonload From