• বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ভবিষ্যৎ প্রজন্ম রক্ষার আহ্বান: বেলাবোতে স্বাস্থ্য মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ড. এম এ কায়ুমের রাজনৈতিক সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন ফয়সাল হোসাইন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ বাবা-মায়ের দেওয়া নাম বদলে চলচ্চিত্রে যে অভিনেত্রীরা পরিচিতি পেয়েছেন আইহান ও ইহান সরকারের আকিকা অনুষ্ঠানে এলজিআরডি মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান ডিসেম্বর থেকে শুটিং, তারকাবহুল বিগ বাজেটের সিনেমা ‘গুলশানের চামেলী’ নেপালে প্রাণহানি ৬৩৩, এখনো নিখোঁজ ২ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রকাশ পেল জামিল হোসেন-মুনমুনের ‘আজব শহর’ সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত

সময় টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও আহমেদ জুবায়ের আওয়ামী ফ্যাসিবাদ হয়েও আবার সপদে !

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৪০ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশ সময় : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

সময় টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও আহমেদ জুবায়ের ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজত ইসলামের ৫৮জনকে হত্যাকান্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত আসামী। বিগত আওয়ামী লীগ শাসনামলে সবচেয়ে সুবিধাভোগী একজন সাংবাদিক। হাসিনা রেজিম টিকিয়ে রাখতে এবং বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাতে সময়টিভিকে ব্যবহার করেছিলেন। ৫ আগস্ট হাসিনার পতনের পর আহমেদ জুবায়ের অপসারণ করা হয়। তিনি আওয়ামী লীগের সাবেক খাদমন্ত্রী কামরুল ইসলামের ভাগ্নে।

বিগত সরকারের এবং বর্তমান সরকারের প্রভাবশালী কারোর কারোর সহায়তায় আদালতের আদেশে কৌশলে সময়টিভিতে ঢুকে পড়েন। পরিচালক পদে দায়িত্ব শুরু করেন। সিটি গ্রুপের সাথে আলোচনা ছাড়াই ১৮০জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দেন। সেই আহমেদ জুবায়ের নেতৃত্বে পুরো সময়টিভি দখলের পাঁয়তারা। অথচ সময়টিভির বেশিরভাগ শেয়ারে মালিক সিটি গ্রুপ। বর্তমান সিইও জুবায়ের বাবু। তাকে সরিয়ে আহমেদ জুবায়ের সময়টিভি দখল নিতে চান।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আহমেদ জুবায়েরের মতো প্রতিষ্ঠিত ফ্যাসিস্ট এবং হত্যা মামলার আসামীকে বিএনপির নামে কারা সমর্থন দিচ্ছেন? কিসের জন্য? কেন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান দখল করতে হবে? প্রতিষ্ঠিত ফ্যাসিস্টকে কারা পুর্নবাসন শুরু করেছে। এসব খুঁজে বের করা জরুরি। এতো দ্রুত ফ্যাসিস্টরা স্বরুপ ফিরতে শুরু করলে বাংলাদেশে সাংবাদিকতা করা কঠিন হয়ে যাবে।

বিগত ১৭ বছর আহমেদ জুবায়েরদের মতো সাংবাদিকরা আমাদের গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা এবং ভোটাধিকার জিম্মি করে রেখেছিলো। আমরা এতো দ্রুত তাদের ভুলি নাই। মিডিয়ার ঘাড়ে বন্দুক রেখে জনগণকে শোষন করেছিলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা