• মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
মুন্নী সাহা সত্যিই কি শেখ হাসিনার মতো জানেন না তার অপরাধ কি? পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয় সময় টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও আহমেদ জুবায়ের আওয়ামী ফ্যাসিবাদ হয়েও আবার সপদে ! আগামী বাজেটে করের আওতায় আসছে মোটরসাইকেল পুঁথিগত নয়, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী বিষয়ে মনোযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শেষ শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে নেওয়া হবে আতাউর রহমানের মরদেহ, দাফন বনানী কবরস্থানে একটুর জন্য বিশ্বরেকর্ড গড়তে পারলেন না নাজমুল শান্ত কেন বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে চাইছেন শুভেন্দু অধিকারী কেন দ্বিতীয়বার বিয়ে করেননি জানালেন ববিতা বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, টানা ‘অতি ভারি বৃষ্টি’র আভাস

সময় টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও আহমেদ জুবায়ের আওয়ামী ফ্যাসিবাদ হয়েও আবার সপদে !

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩১ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশ সময় : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

সময় টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও আহমেদ জুবায়ের ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজত ইসলামের ৫৮জনকে হত্যাকান্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত আসামী। বিগত আওয়ামী লীগ শাসনামলে সবচেয়ে সুবিধাভোগী একজন সাংবাদিক। হাসিনা রেজিম টিকিয়ে রাখতে এবং বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাতে সময়টিভিকে ব্যবহার করেছিলেন। ৫ আগস্ট হাসিনার পতনের পর আহমেদ জুবায়ের অপসারণ করা হয়। তিনি আওয়ামী লীগের সাবেক খাদমন্ত্রী কামরুল ইসলামের ভাগ্নে।

বিগত সরকারের এবং বর্তমান সরকারের প্রভাবশালী কারোর কারোর সহায়তায় আদালতের আদেশে কৌশলে সময়টিভিতে ঢুকে পড়েন। পরিচালক পদে দায়িত্ব শুরু করেন। সিটি গ্রুপের সাথে আলোচনা ছাড়াই ১৮০জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দেন। সেই আহমেদ জুবায়ের নেতৃত্বে পুরো সময়টিভি দখলের পাঁয়তারা। অথচ সময়টিভির বেশিরভাগ শেয়ারে মালিক সিটি গ্রুপ। বর্তমান সিইও জুবায়ের বাবু। তাকে সরিয়ে আহমেদ জুবায়ের সময়টিভি দখল নিতে চান।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আহমেদ জুবায়েরের মতো প্রতিষ্ঠিত ফ্যাসিস্ট এবং হত্যা মামলার আসামীকে বিএনপির নামে কারা সমর্থন দিচ্ছেন? কিসের জন্য? কেন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান দখল করতে হবে? প্রতিষ্ঠিত ফ্যাসিস্টকে কারা পুর্নবাসন শুরু করেছে। এসব খুঁজে বের করা জরুরি। এতো দ্রুত ফ্যাসিস্টরা স্বরুপ ফিরতে শুরু করলে বাংলাদেশে সাংবাদিকতা করা কঠিন হয়ে যাবে।

বিগত ১৭ বছর আহমেদ জুবায়েরদের মতো সাংবাদিকরা আমাদের গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা এবং ভোটাধিকার জিম্মি করে রেখেছিলো। আমরা এতো দ্রুত তাদের ভুলি নাই। মিডিয়ার ঘাড়ে বন্দুক রেখে জনগণকে শোষন করেছিলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা