• শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন হাদি হত্যা নিয়ে মন্তব্য করায় মমতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ প্রকৃত উৎস গোপন করে বিক্রি? রাজধানীর স্বনামধন্য মার্কেটের এক দোকানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় ৭ জুন যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা নতুন শ্রম আইনের বিরুদ্ধে সাধারণ ধর্মঘটে অচল হয়ে পড়েছে পর্তুগাল নেপালকে হারিয়ে সাফ ফাইনালে বাংলাদেশ যুগ্ম সচিব, বুয়েটের শিক্ষক ও কানাডা প্রবাসী তিন ছেলের মা নিঃসঙ্গ বাসায় মরে পড়ে ছিলেন ৭ দিন নিজেদের নির্দোষ দাবি করে সোহেল-স্বপ্না আদালতে যা বললেন, যুক্তি উপস্থাপন বৃহস্পতিবার ১ লা জুন ভারতীয় উপমহাদেশর বিখ্যাত দার্শনিক হজরত ডিপুটি শাহ মুহাম্মদ বদিউল আলম (রহঃ) ৯৮ তম ওফাত দিবস

নতুন শ্রম আইনের বিরুদ্ধে সাধারণ ধর্মঘটে অচল হয়ে পড়েছে পর্তুগাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ৩০ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশ সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
ধর্মঘটে অচল হয়ে পড়েছে পর্তুগাল। ছবি: সংগৃহীত

সরকারের প্রস্তাবিত নতুন শ্রম আইনের বিরুদ্ধে সাধারণ ধর্মঘটে অচল হয়ে পড়েছে পর্তুগাল। কর্মীদের অধিকার ক্ষুণ্ন করবে এমন অভিযোগে সরকারের প্রস্তাবিত শ্রম আইন বাতিলের দাবিতে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয় শ্রমিক সংগঠন সিজিটিপি।

স্থানীয় সময় বুধবার (৩ জুন) হাসপাতাল ও ফায়ার সার্ভিসের মতো জরুরি পরিষেবা সীমিত পরিসরে চালু থাকলেও বন্ধ ছিল মেট্রোরেলসহ অনেক সরকারি কার্যক্রম। বাতিল করা হয় পাঁচ শতাধিক ফ্লাইট। খবর রয়টার্সের।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্মীদের অধিকার ক্ষুণ্ন করবে এমন অভিযোগে সরকারের প্রস্তাবিত শ্রম আইন বাতিলের দাবিতে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয় শ্রমিক সংগঠন সিজিটিপি। বুধবার পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে কোনো দূরপাল্লার ট্রেন ছেড়ে যায়নি, আবার শহরেও কোনো ট্রেন প্রবেশ করেনি।

স্টেশনে এসে অনেক যাত্রী ট্রেন বাতিলের খবর পেয়ে ফিরে যান। ধর্মঘট সফল করতে স্টেশনগুলোতে সক্রিয় ছিলেন ইউনিয়নের সদস্যরা।

ধর্মঘটের কারণে মধ্যরাত থেকেই বন্ধ রাখা হয় মেট্রোরেল স্টেশনগুলোর প্রবেশপথ। সীমিত আকারে বাস চললেও, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে যাত্রীদের। অনেক পর্তুগীজ কর্মী কাজে না গেলেও গণপরিবহণ সংকটের কারণে কাজে যেতে বাধ্য হওয়া অভিবাসী ও অন্যান্য কর্মীরা ভোগান্তিতে পড়েন।

ধর্মঘটে অংশ নেওয়া একজন বলেন, ‘আমি সরকারের প্রস্তাবিত শ্রম আইনকে সমর্থন করি না। তাই ধর্মঘটে অংশ নিয়েছি। আমি দেখছি অনেক তরুণও এই আইনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। সরকারকে অবশ্যই এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হবে।’

শুধু লিসবন নয়, দেশটির বিভিন্ন শহরে ধর্মঘটের প্রতি সমর্থন জানিয়ে কর্মবিরতি পালন করেন নার্স, চিকিৎসকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। সিজিটিপির নেতারা বলছেন, শ্রমিকদের ব্যাপক অংশগ্রহণই প্রমাণ করে নতুন শ্রম আইন জনগণ মেনে নিতে প্রস্তুত নয়।

সিজিটিপির জেনারেল সেক্রেটারি তিয়াগো অলিভেইরা বলেন, ‘সিজিটিপি শ্রমজীবী মানুষকে তাদের দাবি আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সম্মিলিত আন্দোলনের মাধ্যমেই এই অন্যায্য আইন বাতিল করতে সরকারকে বাধ্য করা সম্ভব। এত মানুষের দাবি সরকার উপেক্ষা করতে পারবে না।’

ধর্মঘটের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ে লিসবন বিমানবন্দরে। বাতিল করা হয় পাঁচ শতাধিক ফ্লাইট। নির্ধারিত দিনে ভ্রমণ করতে না পেরে চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। এছাড়া শিক্ষক ও শিক্ষা খাতের কর্মীরাও ধর্মঘটে অংশ নেওয়ায় দেশের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ ছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা