• বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী সরকারি উদ্যোগে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে জন্মদিনে ভক্তদের ভালোবাসায় সিক্ত রকস্টার আতিক ডালিম পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, শুরু ২১ জানুয়ারি দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক ও শেয়ারবাজার সৌদি বিমানবন্দরে হামলার ভয়াবহ সেই দৃশ্য সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ল ফ্যাশনের নান্দনিকতায় মডেল জারা মনি আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেলে প্লাস্টিক বর্জ্য ও অবৈধ দখলের অভিযোগ, ইসলামবাগ-কামরাঙ্গীরচর এলাকায় অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি ট্রাম্পের ভাইরাল স্যুট কি ‘মেড ইন বাংলাদেশ’? বলিউডের শক্তিশালী অভিনেতা নানা পাটেকর মারা গেছেন

রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু ঈদের পর: আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৫৯ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশ সময় : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ছবি- সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) টেস্টের রিপোর্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পেলে ঈদের আগেই মামলার চার্জশিট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

শনিবার (২৩ মে) রাজধানীতে লিগ্যাল এইডের একটি অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে এ কথা জানান তিনি। অনুষ্ঠানে উঠে আসে রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা।

আইনমন্ত্রী বলেন, ডিএনএ রিপোর্ট ছাড়া চার্জশিট দিলে পরবর্তী সময়ে বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরপরই পুলিশ চার্জশিট দেবে। সব ঠিক থাকলে ঈদের আগেই চার্জশিট দেওয়া সম্ভব হবে।

মামলাটির বিচার কাজ দ্রুত শেষ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আসাদুজ্জামান বলেন, ঈদের ছুটির পরপরই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হবে।

উচ্চ আদালতে এ ধরনের মামলার আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড হওয়ার পর তা অনুমোদনের জন্য যখন হাইকোর্টে আসে, তখন পেপার বুক (মামলার বৃত্তান্ত) তৈরিতে অনেক সময় লেগে যায়। এর ফলে চূড়ান্ত রায় পেতে বিলম্ব হয়। এই প্রক্রিয়াটি কীভাবে আরও দ্রুত ও সহজ করা যায়, তা নিয়ে সরকার বর্তমানে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়।

প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে সোহেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন সোহেল রানা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা