• শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বেলাবোয় মহাসপ্তমীতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ আজকের অনুষ্ঠানে না এসে বিরোধী দল শহীদ পরিবারগুলোকে অবজ্ঞা করেছে: প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ ও ছিনতাই, নিরাপত্তাহীনতায় যাত্রীরা দেশেই প্রতিরক্ষা শিল্প গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী রিয়াদগামী সব ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রেখেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবসে ছেঁউড়িয়ায় বসেছে সাধুর হাট, বাউল-ভক্তদের মিলনমেলা কক্সবাজার ইনানীতে রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত বেড়ে ১০ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে কর্মরত সদস্যকে ফেক আইডি ব্যবহার করে ছবি বানিয়ে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ ব্রাইডাল সাজে নতুন রূপে জারা মনি

জয়-পলকের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৯৬ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশ সময় : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার (১৮ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে, ৩ মে মামলার ষষ্ঠ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের দিন নির্ধারিত ছিল। তবে সাক্ষী অসুস্থ থাকায় তিনি ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হতে পারেননি। এ কারণে ওই দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ স্থগিত করে আজকের দিন ধার্য করা হয়।

মামলার অন্যতম আসামি জুনাইদ আহমেদ পলক গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অন্যদিকে পলাতক থাকায় সজীব ওয়াজেদ জয়ের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলম আইনি লড়াই পরিচালনা করছেন।

সর্বশেষ গত ২৬ এপ্রিল মামলার পঞ্চম সাক্ষী হিসেবে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) এক কর্মকর্তার জেরা সম্পন্ন হয়। ওইদিন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা, যার মধ্যে আইনজীবী আমিনুল গণি টিটোও ছিলেন, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এর আগে ১৯ এপ্রিল তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছিল।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রাতে সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ান পলক। এর পরদিন ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র সদস্যদের হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ ছাড়া ইন্টারনেট সেবা বন্ধ, মারণাস্ত্র ব্যবহারে উসকানি, প্ররোচনা এবং হত্যাকাণ্ডে সহায়তার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, এসব ঘটনায় রাসেল ও মোসলেহ উদ্দিনসহ ২৮ জন নিহত হন। পাশাপাশি উত্তরা এলাকায় আরও ৩৪ জনকে হত্যায় সহায়তার অভিযোগও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি জয় ও পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। এর আগে গত বছরের ৪ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা