ফরিদুল আলম ফরিদ: তাওহীদ হৃদয় ও মেহেদি হাসান মিরাজের ব্যাটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক ওয়ানডে সিরিজ জয় করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।
অতীতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডেতে ম্যাচ জয় পেলেও সিরিজ জয়ের স্বাদ পায়নি টাইগাররা। এবার সেই খরা কাটিয়ে উঠে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে মেহেদি হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ।
৪১ ওভারে ১৯২ রানের জয়ের জন্য ব্যাট করছে বাংলাদেশ এবং ৩৫ ওভার শেষে ৫ উইকেটে ১৯৫ রান করে বাংলাদেশ। অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ ২২ বলে ২২ ও মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান তাওহীদ হৃদয় ৫৫ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন।
বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৪২ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান করে অস্ট্রেলিয়া।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেন মার্নাস লাবুশেন। তিনি ৮৫ বলে তিন বাউন্ডারিতে ৫৫ রানে অপরাজিত থাকেন। ৪৮ বলে চারটি চার আর দুটি ছক্কার সাহায্যে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন জেভিয়ার বার্টলেট।
বাংলাদেশ দলের হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান। ২ উইকেট নেন তানভির ইসলাম।
বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪১ ওভারে ১৯২ রান। জয়ের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমেই ইনিংসের দ্বিতীয় বলে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
এরপর দলের হাল ধরেন সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্ত। দ্বিতীয় উইকেটে তারা ৯৩ বলে ৮৬ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ৮৬ রানে আউট হয়ে ফেরেন দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফেরা সৌম্য সরকার। তিনি ৪৭ বলে ৫টি চার আর দুটি ছক্কার সাহায্যে ৪২ রান করে আউট হন।
সৌম্য আউট হওয়ার পর ব্যাটিংয়ে নামেন লিটন দাস। তার সঙ্গে জুটি গড়ার আগেই আউট হয়ে যান নাজমুল হোসেন শান্ত। তিনি দলীয় ৯৮ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন। তার আগে ৫৩ বলে ৫টি বাউন্ডারির সাহায্যে করেন ৪২ রান।
দলীয় ১২২ রানে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন লিটন কুমার দাস। তিনি ১৮ বলে ২১ রান করে আউট হন। দলীয় ১৪৪ রানে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন আগের ম্যাচে ম্যাচসেরা হওয়া মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তিনি ১৪ বলে ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ৩৫ ওভারে ১৯৫ রান করে বাংলাদেশ ৫ উইকেটের বিনিময়ে জয় সিনিয়ে নেয়। অষ্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এটাই ওয়ানডে ইতিহাসের প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় তা এক ম্যাচ হাতে রেখেই। ২৭ রানের বিনিময়ে ৩ টি মূল্যবান উইকেট নেওয়ার সুবাদে ম্যান ওফ দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হন মোস্তাফিজুর রহমান।