নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগীর অভিযোগ, পরিচয় প্রকাশ করলে ভূমির ভলিউম বা রেকর্ডে ভুল করে রেখে দেওয়া হতে পারে- তাতে জটিলতা ও ভোগান্তি বেড়ে যায় বহুগুণ। কারও কারও জীবনের মূল্যবান সময় ও অর্থ নিঃশেষ হলেও সমস্যার সমাধান মেলে না।
নামজারি থেকে শুরু করে ভূমি সেবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে হয়রানি ও জিম্মিদশার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অভিযোগ রয়েছে, সেবা নিতে আসা মানুষকে নানা জটিলতায় ফেলে দালাল থেকে শুরু করে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী এবং আইটি সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ অর্থ আদায়ের সুযোগ তৈরি করছেন। এমনকি, প্রতিবাদ বা উচ্চস্বরে কথা বললে সেবা আরও দীর্ঘায়িত কিংবা অনিশ্চিত হয়ে যাওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
বাড্ডা ভূমি অফিসে দীর্ঘদিন থেকেই দালাল চক্র নিয়োজিত আছে গাজীপুরের শরীফ। যিনি রাজধানীর মেরুল বাড্ডা ডিআইটি প্রজেক্টের ফ্ল্যাট মালিক ভুক্তভোগী হাবিবুর রহমান বাপ্পীর কাছ থেকে থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন নামজারি মাধ্যমে ৮০ হাজার টাকা! যেখানে সরকারি ফি সর্বসাকুলে ১১৭০ টাকা। এবং দালাল হাবীব, যতদূর জানা যায় তার বাড়ি বরিশালের পটুয়াখালীতে। তিনি পরিচয় দিয়ে থাকেন বর্তমানে ঢাকার আফতাব নগরে।
এমন অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে ভূমি অফিসের আইটি কর্মকর্তা মাসুদের নাম।
প্রশ্ন হলো- ভূমি সেবা কি জনগণের অধিকার, নাকি ভোগান্তির বিনিময়ে পাওয়ার বিষয়?
আর ‘মাসুদ’ নামের ব্যক্তিদের ঘিরে বারবার অভিযোগ ওঠার এই সংস্কৃতির অবসান হবে কবে?