• বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
আহত হনুমানের ‘রোগী’ সেজে ক্লিনিকে অপেক্ষা, পাংশায় চাঞ্চল্য জীবিত বাবাকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলা নিয়ে মুখ খুললেন জামায়াত এমপি আব্দুল মুনতাকিম গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী ও সম্প্রচারমন্ত্রী ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমল জোড়া গোলের রাতে রেকর্ডবুকে কেইন, মেসিকে পেছনে ফেললেন ইরানের সাথে সমঝোতা চুক্তি স্মারকের আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের আগেই নৌ অবরোধ তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র বড় তিন দলের ‘মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ’; সুযোগ নিচ্ছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের জয়ে মেসির হ্যাট্রিক ছাত্রদলের নাম ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগ, অপকর্মে জড়ানোর চেষ্টার বিরুদ্ধে সতর্কতা রাজধানী বাড্ডার পিস্তল হেলাল ও ইয়াবা নাঈম এর খুঁটির জোর কোথায়?

জীবিত বাবাকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলা নিয়ে মুখ খুললেন জামায়াত এমপি আব্দুল মুনতাকিম

ফরিদুল আলম ফরিদ / ৩৪ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশ সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
জামায়াত এমপি আব্দুল মুনতাকিম। ছবি: সংগৃহীত

ফরিদুল আলম ফরিদ: জাতীয় সংসদ অধিবেশনে নিজের জীবিত বাবাকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলা নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের জামায়াতে ইসলামীর সমর্থিত সংসদ সদস্য (এমপি) আব্দুল মুনতাকিম।

রোববার (১৪ জুন) সংসদের বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় আব্দুল মুনতাকিম তার পরিবারে ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা থাকার দাবি করেন।

সংসদ অধিবেশনে এমপি মুনতাকিম বলেন, আমার আব্বারা ৭ ভাই, ৪ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার দাদারা ১৯ জন, ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার মা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক।

তিনি দাবি করেন, তার বাবা ও দাদা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন।

এদিকে তার নির্বাচনি হলফনামায় দেখা যায়, এমপি মুনতাকিমের জন্ম ১৯৮১ সালে, অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধের প্রায় ১০ বছর পর। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তার বয়স ছিল ৪৪ বছর ১১ মাস ২০ দিন। ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া একজন ব্যক্তির পক্ষে শহীদের সন্তান হওয়া নিয়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

এছাড়া তার বাবা আব্দুল কাদের সৈয়দী এবং মা মোসলমান বেগম দুজনই বর্তমানে জীবিত আছেন। তারা সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের ধলাগাছ গ্রামে ছেলের সঙ্গেই বসবাস করেন।

এ ব্যাপারে মোবাইলে জানতে চাইলে নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুনতাকিম বলেন, সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সময়ে আমি অসুস্থ ছিলাম। মাথায় ছিল প্রচন্ড ব্যথা। সংসদে কি বলেছি, তা বুঝতে পারছি না। আসলে আমার বাবা বেঁচে আছেন। মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন আমার দাদা ও চাচা। সংসদে ভুল কিছু বলে থাকলে দেশের মানুষের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা