• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
মাছপাড়া কলেজে গুণীজন সংবর্ধনা, মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আজ পাংশায় পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শনে মন্ত্রী-উপদেষ্টাসহ প্রতিনিধি দল হাসনাবাদ হাই স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি কৃষিবিদ শরীফ হোসেন খান আমাদের বাবাকে জেলের ভেতরেই মেরে ফেলতে চায় ওরা: শঙ্কা ইমরান খানের দুই ছেলের বিশ্বে সর্বোচ্চ বেতন পান যে দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং কত? বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভ ঝাঁড়লেন পরীমনি ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী উত্তর হালিশহরের প্রাচীন মসজিদ সন্তানকে সম্পত্তি দিলেও আজীবন ভোগদখল করবেন বাবা-মা এলাকার উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নয়, প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ: মোঃ আল আমিন খান রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে খোকসা থানার ওসির বিরুদ্ধে অপপ্রচার

চাকরির প্রলোভনে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, ব্যাংক কর্মকর্তা মিজানুরের বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১০৪ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশ সময় : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অর্ধকোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত মিজানুর রহমান মিজান লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ মুসরত গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মাহবুবুর রহমানের ছেলে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার কথা বলে চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা নিতেন। এতে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বহু তরুণ-তরুণী ও তাদের পরিবার।

ভুক্তভোগীরা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেকে প্রভাবশালী ব্যাংক কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ‘ভিতরের যোগাযোগ’ থাকার দাবি করতেন। প্রার্থীভেদে তিনি ৫ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিতেন। কিছু ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষা ছাড়াই সরাসরি নিয়োগের আশ্বাস দেওয়া হতো।

একাধিক ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, টাকা নেওয়ার পর তিনি নিয়োগপত্র দেওয়ার তারিখ বারবার পরিবর্তন করতেন। একপর্যায়ে যোগাযোগ কমিয়ে দেন এবং পরে ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান। কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, তারা তার কাছ থেকে নিয়োগপত্র পেয়েছিলেন, যা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যাচাই করে জাল বলে নিশ্চিত করেছে।

এক ভুক্তভোগী বলেন, “আমার ছেলের চাকরির জন্য ৫ লাখ টাকা দিয়েছিলাম। কয়েক মাস ঘোরানোর পর এখন তিনি আর ফোন ধরছেন না।” আরেকজন বলেন, “আমরা কয়েকজন মিলে প্রায় ৩০ লাখ টাকা দিয়েছি। এখন বুঝতে পারছি আমরা প্রতারিত হয়েছি।”

এ বিষয়ে একটি বেসরকারি ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, “ব্যাংকে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের সুযোগ নেই। এ ধরনের প্রতারণা থেকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।”

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দণ্ডবিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভুক্তভোগীরা অভিযুক্তের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং প্রতারিত অর্থ ফেরতের দাবি জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চাকরির নামে অর্থ লেনদেন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তারা নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে কেবল সরকারি বা স্বীকৃত প্রক্রিয়া অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা