• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
দলে ‘হাইব্রিড’ আতঙ্ক, অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিএনপির কঠোর বার্তা বিএনপি-এনসিপির পালটাপালটি কর্মসূচি, হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি যুবদলের ৩১ সদস্যের কমিটি গঠনের পরেরদিন ১৬ নেতার পদত্যাগ বিএপি’র সরকারে থাকছে না ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ কেউই ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত শেষ হওয়ার শঙ্কা, ইরানে হামলা বন্ধ করল ট্রাম্প কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি, ভাইয়া ব্রডকাস্টের এজিএম হলেন রাকিবুল ইসলাম; সম্মাননা ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা বরিশালের গল্পে নাটক ‘আজব শহর’ নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে আইনি সীমাবদ্ধতার কথা জানালেন জোহরান মামদানি প্রবাসের ব্যস্ততায়ও বাংলার মাটির সুরে শম্পা দেওয়ান নির্মাতা মেহেদী হাসান মুকুল এর জন্মদিনে আবেগঘন বার্তা

ফতুল্লার নন্দলালপুর, কুতুবপুর ইন্ডাস্ট্রিজ এলাকায় অভিনব কায়দায় সরকারি গ্যাসের বিলের টাকা আত্মসাৎ

মফস্বল প্রতিবেদক / ১৬২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশ সময় : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানাধীন কুতুবপুর ইউনিয়নের গ্যাস চোরাকারবারী গ্যাস মোস্তফা। ছবি- সংগৃহীত

সাইফুল আলম বাবু (বিশেষ প্রতিনিধি): নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানাধীন কুতুবপুর ইউনিয়নের নন্দলালপুর ইন্ডাস্ট্রিজ এলাকায় অভিনব কায়দায় সরকারি গ্যাসের বিল বহুদিন যাবত মোস্তফা নামে ওরফে গ্যাস মোস্তফা আত্মসাৎ করে আসছে। গোপন সূত্রে জানা যায়, এই গ্যাস মোস্তফা নিজস্ব গ্যাসের মিস্ত্রী দ্বারা বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে গ্যাসের মিটার টেম্পারিং করে কৌশলে প্রতিমাসে ১৫ দিনের সরকারি তিতাস গ্যাস বিলের টাকা দক্ষ মিস্ত্রী দ্বারা মাইনাস করে অর্ধেক বিল ইন্ডাস্ট্রিজ এর মালিকের সাথে সম্মিলিত হয়ে সরকারকে ফাঁকি দিচ্ছে।

প্রতি মাসে ফতুল্লা, পাগলা, কুতুবপুর এলাকার প্রতিটি মিল ফ্যাক্টরি থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে । গোপন সূত্রে জানা যায়, অত্র এলাকার প্রতিটি ইন্ডাস্ট্রিতে গ্যাস মোস্তফার সিন্ডিকেটের লোক নিয়োগ করা আছে এবং তাদের মাসিক বেতন ২০,০০০ টাকা। গ্যাস মোস্তফা এলাকার স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী লোকজনকে ম্যানেজ করে দিব্যি চালিয়ে যাচ্ছেন গ্যাস চুরির এই ব্যবসা। অবৈধভাবে প্রতিমাসে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।

স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পরে তার এই অবৈধ টাকায় বিভিন্ন স্থানে জমি ক্রয় করেছেন, তার মধ্যে নন্দলালপুর লিনা-কেমিকেলের পাশে পাঁচ শতাংশ জমি, নন্দলালপুর প্রাইম টেক্সটাইলের অপরদিকে ২৯ শতাংশ জমি এবং বাবুল কেমিক্যাল নামে একটি প্রতিষ্ঠান ক্রয় করেন। আউয়াল সাহেবের মিলের অপরদিকে ৬ শতাংশ জমি সহ একটি মার্কেট ক্রয় করেন। নন্দলালপুর পুরান মসজিদ সংলগ্ন দুই দাগে ১১ শতাংশ ও ৪ শতাংশ জমি ক্রয় করেন এবং নন্দলালপুর দক্ষিণ মহল্লায় ৩ কাঠা জায়গার উপরে চার তলা একটি বিলাসবহুল বাড়ি তৈরি করেন।

এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় “নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক” গ্যাস মোস্তফা চাকরি অথবা ব্যবসা কোনটাই করেন না, তাহলে সে কিভাবে এত টাকার সম্পদের মালিক হলো।

গত ১বছরে ১৫ কোটি টাকার জমি কিনেছে কালো টাকা সাদা করার জন্য, তাই এলাকাবাসীর জোর দাবি যত দ্রুত সম্ভব গ্যাস মোস্তফার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং গ্যাস মোস্তফাকে আইনের আওতায় এনে রাষ্ট্রীয় সম্পদ গ্যাস আত্মসাৎ এর অভিযোগে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা।

ইতিমধ্যে গ্যাস মোস্তফার বিষয়ে দুদকে একটি অভিযোগ সংযুক্ত করা হয়েছ। গ্যাস আমাদের রাষ্ট্রীয় সম্পদ এ রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করার দায়িত্ব আমার আপনার সবার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা