• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
মাছপাড়া কলেজে গুণীজন সংবর্ধনা, মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আজ পাংশায় পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শনে মন্ত্রী-উপদেষ্টাসহ প্রতিনিধি দল হাসনাবাদ হাই স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি কৃষিবিদ শরীফ হোসেন খান আমাদের বাবাকে জেলের ভেতরেই মেরে ফেলতে চায় ওরা: শঙ্কা ইমরান খানের দুই ছেলের বিশ্বে সর্বোচ্চ বেতন পান যে দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং কত? বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভ ঝাঁড়লেন পরীমনি ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী উত্তর হালিশহরের প্রাচীন মসজিদ সন্তানকে সম্পত্তি দিলেও আজীবন ভোগদখল করবেন বাবা-মা এলাকার উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নয়, প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ: মোঃ আল আমিন খান রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে খোকসা থানার ওসির বিরুদ্ধে অপপ্রচার

গুলশান সোসাইটির নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ শেষে মঞ্চ মাতালেন সাবিনা ইয়াসমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৪৬ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশ সময় : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
রাজধানীর শেরাটন হোটেলে গুলশান সোসাইটির নতুন কমিটির শপথ গ্রহণ। ছবি- সংগৃহীত

গুলশান সোসাইটির নতুন কমিটির শপথ ঘিরে হয়ে গেল জমজমাট সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। রাজধানীর শেরাটন হোটেলে শনিবার সন্ধ্যায় এ আসর মাতিয়ে তোলেন সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন।

সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠান শুরু হলেও সাবিনা ইয়াসমিন মঞ্চে ওঠেন রাত সাড়ে ৯টায়। ‘সুন্দর সুবর্ণ তারুণ্য লাবণ্য’ থেকে শুরু করে একে একে গেয়ে শোনান ‘আমি রজনীগন্ধা ফুলের মতো, ‘দুঃখ ভালোবেসে প্রেমের খেলা খেলতে হয়’, ‘চিঠি দিও’, ‘এই মন তোমাকে দিলাম’, ‘ওগো বন্ধু কাছে থেকো’ এবং ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়সহ’ অনেক গান।

এর আগে সন্ধ্যায় সংগীতশিল্পী সাব্বির জামান পাঁচটি গান করেন।

অনুষ্ঠানে গুলশান সোসাইটির নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির আনুষ্ঠানিক পরিচিতিপর্ব হয়। পরপর দুইবার বিজয়ী সভাপতি ওমর সাদাত নতুন কমিটির নেতৃত্বকে পরিচয় করিয়ে দেন। এরপর নতুন কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।

অনুষ্ঠানে বিদায়ী কমিটির মেয়াদকালের বিভিন্ন কার্যক্রম ও অর্জনের বিবরণও তুলে ধরা হয়।

শপথ শেষে নবনির্বাচিত কমিটির আগামী দুই বছরের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে সাদাত বলেন, ‘গুলশানকে একটি আধুনিক ও নান্দনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমানে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স কাজ করছে। এই টাস্কফোর্সে গুলশানের পাশাপাশি বনানী, বারিধারা ও নিকেতন সোসাইটিও যুক্ত রয়েছে।’

‘রাজউক ও ডিএনসিসির সহায়তায় এলাকার দখলবাজি ও ডাম্পিং সমস্যার সমাধান করে গুলশানকে একটি আন্তর্জাতিক মানের বাসযোগ্য এলাকায় রূপান্তর করাই এই নতুন পরিষদের মূল লক্ষ্য।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা