• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
চলচ্চিত্র পরিচালক ইকবালের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড, ৫০০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ নৃত্যের নামে অশ্লীলতা, পালাতক আলিফকে খুঁজছে পুলিশ মৌরাট ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব সাদ্দাম লস্করের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছে স্থানীয়রা গত ১৭ বছর দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ছেলেখেলা করা হয়েছে: রিজভী আহমেদ আজ অকাল প্রয়াত ‘স্বপ্নের নায়ক’ সালমান শাহ’র জন্মদিন টাকার খেলায় রাজনীতির ‘পল্টিবাজ’ পুনর্বাসন: কোন পথে দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার বিএনপি? মিডিয়া ও চলচ্চিত্র অঙ্গনের মানুষের অজানা গল্প নিয়ে শুরু হলো ‘Light Camera Action’ সম্মাননা পেলেন সোহেল রানা-সাবিনা ইয়াসমিনসহ গুণীজনরা আবুল খায়ের হলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক

বিশ্বকাপের উন্মাদনায় বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষতি ১৭০০ কোটি ডলার

ডেস্ক রিপোর্ট / ১০৩ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশ সময় : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপ শুধু ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ আর আনন্দের উৎস নয়, এর প্রভাব পড়ে বিশ্ব অর্থনীতিতেও। ২০২৬ বিশ্বকাপে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ মেসি, নেইমার, এমবাপ্পে, ইয়ামালের মতো তারকাদের খেলা দেখতে ব্যস্ত থাকায় কর্মক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতায় বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে টুর্নামেন্টের অন্যতম আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপের কারণে ব্যবসা ও কর্মক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে।

‘নকআউট টিউসডে’তে কমেছে অফিস উপস্থিতি

ইউকেজির তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক কর্মী ছুটি নিয়েছেন, কেউ অফিসে দেরিতে পৌঁছেছেন, আবার কেউ নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরেছেন।

কর্মক্ষেত্র ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম এনভয় (Envoy)-এর তথ্য বলছে, যুক্তরাষ্ট্র দল ৬ জুলাই শেষ ষোলোর ম্যাচে বেলজিয়ামের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পরদিন, অর্থাৎ ৭ জুলাই মঙ্গলবার দেশটির অফিসগুলোতে কর্মীদের উপস্থিতি হঠাৎ ২৬ শতাংশ কমে যায়। এই অনুপস্থিতির হার ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রীড়া আয়োজন সুপার বোল ফাইনালের পরদিনের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি।

শুধু অফিসে কর্মীদের উপস্থিতিই কমেনি, বরং ব্যবসায়িক কার্যক্রমেও প্রভাব পড়ে। ওই দিন ক্লায়েন্ট মিটিং, চাকরির সাক্ষাৎকার এবং বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক বৈঠকের সংখ্যা প্রায় ৩২ শতাংশ কমে যায়। এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতিকে এনভয় নাম দেয় ‘নকআউট টিউসডে’ (Knockout Tuesday)।

বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র দলের ম্যাচের দিনগুলোতেই কর্মীদের কাজে অনুপস্থিত থাকার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে। তবে দলটি টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ার পর ধীরে ধীরে অফিসের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরতে শুরু করে।

বিশ্বকাপের সময় কর্মীদের কাজের ক্ষতি কমাতে এবং আয়োজক শহরগুলোতে অতিরিক্ত যানজট এড়াতে বেশ কিছু বড় প্রতিষ্ঠান আগাম ব্যবস্থা নেয়। ‘জেপি মরগান চেস, গোল্ডম্যান স্যাকস এবং এসঅ্যান্ডপি’-এর মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো ম্যাচের দিন কর্মীদের বাসা থেকে কাজ করার সুযোগ দেয়।

এদিকে, ফাইনালের পরদিন অফিসে উপস্থিতির হার কেমন হতে পারে, তার একটি পূর্বাভাসও দিয়েছিল এনভয়। আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ফাইনালে যুক্তরাষ্ট্র না থাকায় সোমবার অফিসে অনুপস্থিতির হার খুব বেশি বাড়বে না বলে ধারণা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সাধারণ সোমবারের তুলনায় উপস্থিতি সর্বোচ্চ ১.৮৭ শতাংশ কমতে পারে, যা সুপার বোলের পরদিনের কাছাকাছি।

বড় ক্রীড়া ইভেন্টে কর্মক্ষেত্রে প্রভাব নতুন নয়

ব্লুমবার্গের এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বড় কোনো ক্রীড়া বা বিনোদনমূলক আয়োজনের সময় কর্মীদের কাজে প্রভাব পড়ার ঘটনা নতুন নয়। এর আগে অলিম্পিক গেমস কিংবা ২০২৩ সালে ‘বার্বি’ ও ‘ওপেনহাইমার’ সিনেমা মুক্তির সময়ও বিভিন্ন দেশে কর্মক্ষেত্রে উপস্থিতি ও উৎপাদনশীলতায় পরিবর্তন দেখা গিয়েছিল।

তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে যে পরিমাণ অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতা কমেছে, তা সাম্প্রতিক সময়ের বড় বৈশ্বিক ইভেন্টগুলোর মধ্যে অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা