• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওয়ানডেতে ২১ বছর পর বাংলাদেশের জয় বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্সধারী সচেতন নাগরিকবৃন্দের পক্ষ থেকে অগ্রিম আয়কর নির্ধারণের প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ জাল দলিল, ঘুষ বাণিজ্য ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ গুলশান সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে ৭৩ ভোট পেয়ে পরিচালক পদে জয়ী তামিম ইকবাল মেসিকে নিয়ে সুখবর দিলেন আর্জেন্টাইন কোচ স্কালোনি জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন হাদি হত্যা নিয়ে মন্তব্য করায় মমতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ প্রকৃত উৎস গোপন করে বিক্রি? রাজধানীর স্বনামধন্য মার্কেটের এক দোকানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

বাবরি মসজিদ বানাতে চাওয়া হুমায়ুন কবিরকে ভারত ছাড়তে বললেন বিজেপি মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ৩২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশ সময় : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬
মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ বানাতে চেয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। ছবি- সংগৃহীত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু কুরবানি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে উত্তেজনা বেড়েছে। মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় আচার নিয়ে বিতর্কের মাঝেই নওদার বিধায়ক ও মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ বানাতে চাওয়া হুমায়ুন কবীরকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন রাজ্যটির মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

তিনি বলেছেন, ভারতে থাকতে হলে দেশের নিয়ম মেনেই চলতে হবে। তা না হলে অন্য কোনো মুসলিম দেশে চলে যেতে পারেন হুমায়ুন কবীর।

রাজনৈতিক পালাবদলের পর নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসে প্রকাশ্যে পশুবলি ও কুরবানির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের সিদ্ধান্ত নেয়। গত ১৩ মে আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে এ সংক্রান্ত নির্দেশ জারি করা হয়। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়।

বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে এ নিয়ে অসন্তোষের খবর সামনে আসে। ঈদকে সামনে রেখে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। আগামী ২৭ মে মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব কোরবানির ঈদ পালিত হবে। এ উৎসবে পশু কুরবানি ধর্মীয় আচারের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

কিন্তু উৎসবের ঠিক আগেই প্রকাশ্যে কুরবানির ওপর বিধিনিষেধ জারি হওয়ায় আপত্তি তুলেছেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশ। এই ইস্যুতে সরব হন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর।

তিনি দাবি করেন, রাজ্যের প্রায় ৩৭ শতাংশ মুসলিম গরুর মাংস খায়। কুরবানি বন্ধ করতে হলে সব কসাইখানাও বন্ধ করা উচিত। তার বক্তব্য, কুরবানি একটি ধর্মীয় প্রথা এবং তা হঠাৎ করে প্রশাসনিক নির্দেশে বন্ধ করা যায় না।

হুমায়ুন কবীরের এই বক্তব্যের পরই পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেন, হুমায়ুন কবীর যদি পশ্চিমবঙ্গে থাকতে চান, তাহলে তাকে সরকারি নিয়ম মেনে চলতে হবে। যদি সেই নিয়ম মানতে আপত্তি থাকে, তাহলে তিনি যেখানে খুশি চলে যেতে পারেন। এমনকি অন্য কোনো মুসলিম দেশেও যেতে পারেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। অগ্নিমিত্রা পালের এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা