বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের অন্তর্ভুক্ত ‘জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট’-এর সভাপতি মেগাস্টার আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চলচ্চিত্র পরিষদের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে ১৬১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন। নতুন কমিটিতে বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক বদিউল আলম খোকনকে সভাপতি, চলচ্চিত্র পরিচালক নাসিরউদ্দিন মিলনকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, অভিনেতা ও কবি এবিএম সোহেল রশিদকে মহাসচিব, চিত্রনায়ক আদনান আজাদকে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এবং চলচ্চিত্র পরিচালক মনজুরুল ইসলামকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।
একই সঙ্গে ২৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদও ঘোষণা করা হয়েছে। ২৫ সদস্যবিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন বিএনপির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক চিত্রনায়ক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল। উপদেষ্টা পরিষদের অন্যান্য সদস্যরা হলেন— বিএনপির প্রান্তিক জনশক্তি উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ও চলচ্চিত্র প্রযোজক এম এ মালেক, বিএনপির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক সাঈদ সোহরাব, জাসাসের আহ্বায়ক চিত্রনায়ক হেলাল খান, জাসাসের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম, জাসাসের সদস্য সচিব জাকির হোসেন রোকন, ফিল্ম ক্লাব লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট, চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিচালক ও অভিনেতা সামসুল আলম, গীতিকার ও প্রযোজক মনিরুজ্জামান মনির, চলচ্চিত্র পরিচালক শওকত জামিল, চলচ্চিত্র সম্পাদক জিন্নাত হোসেন জিন্না, অভিনেতা খুরশীদুজ্জামান উৎপল, চিত্রগ্রাহক রেজা লতিফ, চলচ্চিত্র পরিচালক মো. হাফিজ উদ্দিন, চিত্রগ্রাহক আবু হেনা বাবলু, চলচ্চিত্র পরিচালক ফারুক হোসেন, অভিনেতা শিবা শানু, চলচ্চিত্র পরিচালক আওকাত হোসেন, প্রযোজক লায়ন কাজী সাইফুল ইসলাম, প্রযোজক লায়ন নজরুল ইসলাম চৌধুরী, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও প্রদর্শক রফিক উদ্দিন, চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল, অভিনেতা আব্দুল আজিজ, চলচ্চিত্র প্রযোজক হোসাইন আনোয়ার, চলচ্চিত্র পরিচালক আবুল কালাম আজাদ এবং চলচ্চিত্র সংগঠক হান্নান মজুমদার।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চলচ্চিত্র পরিষদের ১৬১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির বিভিন্ন পদে আরও রয়েছেন— চিত্রনায়ক মেহেদী হাসান, ফাইট ডিরেক্টর আরমান, চলচ্চিত্র পরিচালক জয়নাল আবেদীন, চিত্রনাট্যকার কাসেম আলী দুলাল, চলচ্চিত্র পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মহারাজ, চলচ্চিত্র পরিচালক হানিফ রেজা মিলন, অভিনেতা ইলিয়াস কোবরা, অভিনেতা ফাইয়াজ আহমেদ ববি, চিত্রনায়ক মুশফিকুর রহমান কাকন, অভিনেতা শাহেদ শরীফ, অভিনেতা জ্যাকী আলমগীর, অভিনেত্রী রিনা খান, চিত্রনায়িকা সাহারা, চিত্রনায়িকা কেয়া, অভিনেত্রী শারমিন, চলচ্চিত্র পরিচালক দেলোয়ার হোসেন পলক, প্রযোজক মো. আলমগীর, চিত্রগ্রাহক খোরশেদ আলম, অভিনেতা আমীর, চিত্রনায়িকা সোহানা, চিত্রনায়িকা মুক্তি, চিত্রনায়িকা জিনিয়া, চিত্রনায়ক তানভির তনু, অভিনেতা শাওন আশরাফ, চিত্রনায়িকা সাবা সুস্মিতা, চিত্রনায়ক তুহিন খান, চলচ্চিত্র পরিচালক সাজেদুর রহমান সাজু, চলচ্চিত্র পরিচালক শফিক হাসান, চলচ্চিত্র পরিচালক কাজী আলমগীর, চলচ্চিত্র পরিচালক রিয়াজুল রিজু, চলচ্চিত্র প্রযোজক মইনুল হাসান খোকন, চলচ্চিত্র পরিচালক শফিউল আজম শফিক, সংগঠক জি এম সাঈদ, অভিনেত্রী শিউলী শিলা, চলচ্চিত্র পরিচালক মনজুরুল ইসলাম, চিত্রনায়িকা রাফা নানজিবা তোরসা, চিত্রনায়িকা আইরিন সুলতানা, অভিনেত্রী বাঁশরী অনন্যা, চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজুল হক খোকা, চলচ্চিত্র সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, চলচ্চিত্র পরিচালক জ্যামস কাজল, অভিনেত্রী ফারজানা হাসান মিহি, চিত্রনায়ক সাইফুর রহমান ইভান, চিত্র সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, চিত্রনায়ক পারভেজ আবীর, চিত্রনায়ক শাহেন শাহ, চলচ্চিত্র পরিচালক রাজু আহমেদ, অভিনেতা মিনহাজ হোসেন (বিভান), অভিনেত্রী রুবিনা আলমগীর, কণ্ঠশিল্পী মিতা মল্লিক, নৃত্য পরিচালক সাইফুল ইসলাম, নৃত্য পরিচালক মাইকেল বাবু, চিত্রনায়িকা স্মরণী শাহনাজ, চিত্রনায়িকা সামিহা আক্তার, চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক নজরুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে বিএনপির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক বলেন, চলচ্চিত্র কর্মীদের ঐক্যের শক্তি ও সম্মিলিত প্রয়াসই দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি আরও বলেন, জাতীয়তাবাদী চলচ্চিত্র পরিষদ ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে জাতীয়তাবাদী আদর্শকে ধারণ করে দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং কর্মপরিধি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নতুন এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন কমিটি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে কাজ করবে।
সংগঠনের সভাপতি বদিউল আলম খোকন বলেন, ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলচ্চিত্র শিল্পের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করা হবে।
মহাসচিব এবিএম সোহেল রশিদ বলেন, ১৯৯৬ সাল থেকে জাতীয়তাবাদী আদর্শকে ধারণ করে এই সংগঠন কাজ করে যাচ্ছে। গণতন্ত্রের মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এই সংগঠনের আয়োজিত গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এফডিসিতে উপস্থিত থেকেছেন। ভবিষ্যতে বিএনপির চেয়ারম্যান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং ‘জিয়া ফিল্ম সিটি’ গড়ে তোলার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চলচ্চিত্র পরিষদ ১৬১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে আরো আছেন:-
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক আব্দুল আজিজ,
প্রযোজক মোসলেহ উদ্দিন চৌধুরী মুসা,
চলচ্চিত্র পরিচালক আবু সাঈদ খান,
প্রযোজক কাজী শাহ আলম,
প্রযোজক আবদুর রহিম,
প্রযোজক হারেজ,
অভিনেতা আশরাফুল হক ডন,
অভিনেতা রাজ কমল,
অভিনেতা শওকত আলী,
সম্পাদক চিশস্তি জামাল,
চিত্রগ্রাহক আজাহার হোসেন,
চলচ্চিত্র পরিচালক রুহুল আমীন,
অভিনেত্রী আন্না,
অভিনেতা বাদল সিদ্দিকী,
অভিনেতা ডা. আবদুল আলীম,
অভিনেতা এস এম মিজান,
অভিনেতা নেপাল চন্দ্র বনিক
অভিনেতা আকবর পালোয়ান,
অভিনেতা নাসির পালোয়ান,
অভিনেতা মো. সারোয়ার,
অভিনেতা মো. বিল্লাল হোসেন,
অভিনেতা মো. হাফিজুর রহমান,
অভিনেতা কাজী ওয়াজিবুল্লা বাবু,
অভিনেতা তাজুল ইসলাম,
অভিনেতা মো. মহসিন,
ফাইট ডিরেক্টর দেলোয়ার হোসেন দিলু,
অঙ্গসজ্জাকর মো. নাজিম,
সভাপতি অঙ্গসজ্জাকর সমিতি
অঙ্গসজ্জাকর আবুল কাসেম,
অঙ্গসজ্জাকর মনিরুল ইসলাম মনির,
অঙ্গসজ্জাকর রুপচান,
অঙ্গসজ্জাকর মো. শাহীন,
অঙ্গসজ্জাকর মো. সানোয়ার,
অঙ্গসজ্জাকর আলী মাষ্টার,
অঙ্গসজ্জাকর মো. মামুন,
অঙ্গসজ্জাকর মো. হাছান,
রুপসজ্জাকর মো. সেলিম,
রুপসজ্জাকর মো. কাজী সেলিম,
ক্যামেরা সরবরাহকারী পাংখা মনির,
মেকআপ আর্টিস্ট মো. ফয়সাল,
মেকআপ আর্টিস্ট মো. শামীম,
চিত্রগ্রাহক ইসমাইল হোসেন লিটন,
ফটোগ্রাফার শাহীন সানী,
প্রযোজক শাজাহান,
নৃত্য পরিচালক রাজু,
অভিনেতা পলাশ খান,
সহকারী পরিচালক রিপন,
সহকারী পরিচালক রাজিব,
সহকারী পরিচালক রাশেদুল ইসলাম রাশেদ,
সহকারী পরিচালক ইলিয়াস হোসেন,
সহকারী পরিচালক গাজী আব্দুল খালেক,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক তোফায়েল আহমেদ,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক রিয়াজ উদ্দিন ঝন্টু,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক মহব্বত,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক আনোয়ার হাওলাদার,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক মো. নবি,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক জিয়াউল হক মনির,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক আবু জাফর অপু,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক জিয়াউল হক জিয়া,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক আলমগীর হোসেন,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক আব্দুল আজিজ (কালা আজিজ),
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক আবদুর রউফ শিকদার,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক ফরহাদ,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক রবিউল ইসলাম,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক মো. আবুল,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক মনিরুল ইসলাম,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক হিরা,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক শাহ আলম,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক মো. রবিউল,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক আকতার শেখ,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক আনোয়ার শিকদার,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক স্বপন মৃধা,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক গোলাম মওলা চৌধুরী,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক সালমান আলমগীর,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক সাত্তার সাদেক,
চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক সামসুল আলম,
চলচ্চিত্র সহকারী ব্যবস্থাপক মো. শাহীন,
চলচ্চিত্র সহকারী ব্যবস্থাপক লোকমান হোসেন,
চলচ্চিত্র সহকারী ব্যবস্থাপক রফিক,
চলচ্চিত্র সহকারী ব্যবস্থাপক সুমন,
চলচ্চিত্র সহকারী ব্যবস্থাপক মো. হারুন ঢালি,
চলচ্চিত্র সহকারী ব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দিন,
চলচ্চিত্র সহকারী ব্যবস্থাপক মো. আনোয়ার,