বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
‘হাবিবি’ নিয়ে আসছেন নুসরাত ফারিয়া “এসো নিজেকে নিজে চিনি” পরিবার আয়োজিত বাউল গানের প্রতিযোগিতার গ্রান্ড ফিনালে ২০ অক্টোবর শুধুমাত্র অনুদানের সিনেমা দিয়েই মুখর সিনেপাড়া বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ও স্কটল্যান্ডের সম্ভাব্য একাদশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দেখা যাবে যেসব চ্যানেলে ‘বাংলাদেশকে আমরা পাপুয়া নিউগিনির চেয়ে ওপরে দেখি না’: স্কটল্যান্ড কোচ শেন বার্জার টি ২০ বিশ্বকাপ ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে আজ শুরু ইভ্যালির ওয়েবসাইট-অ্যাপ বন্ধের ঘোষণা কুমিল্লার ঘটনার পেছনের কারণ খোঁজা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ‘দেশ বিক্রি করে তো আমি ক্ষমতায় আসব না’ এটাই বাস্তব

মানবিক নেতা জামাল হোসেন-এর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন

হেলাল মাহমুদ তন্ময়
  • প্রকাশ সময়ঃ সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১
  • ১১৫ বার পড়া হয়েছে

সংসদ সদস্য তো দূরের কথা, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের সঙ্গেই সাধারন মানুষের দূরত্ব যোজন যোজন। যিনি যখনই নির্বাচিত হন, ক্ষমতায় আসীন হয়েই ভুলে যান ভোটারদের অবদান। এটা নতুন নয়, নিত্য ঘটনা। দিন দিন মানুষও মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে এসব নেতাদের কাছ থেকে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর দেশে কর্মীবান্ধব নেতার দেখা মিলেছে কমই। বঙ্গবন্ধুর পর তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বাবার আদর্শ লালন করে মানুষের কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। তবে বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত পথে হাটছেন আওয়ামীলীগের তৃণমূল ও কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেকেই।

তেমনই একজন ফরিদপুরের নগরকান্দা-সালথার গণমানুষের নেতা অ্যাডভোকেট জামাল হোসেন মিয়া। কর্মীবান্ধব এই নেতা প্রতিদিনই মানবিক সেবা নিয়ে জনগনের দোরগড়ায় অবিরাম ছুটে চলছেন। যেকোন প্রয়োজনে জনগনের পাশে দাড়াচ্ছেন। বাড়িয়ে দিচ্ছেন সহযোগীতার হাত। জামাল হোসেন মিয়া ছাত্রজীবন থেকেই আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। তৃণমূলে আওয়ামীলীগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন তিনি। ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্যও। বর্তমানে তিনি আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে বরাবরই সক্রিয় অবস্থান ছিলো জামালের। দলীয় সকল কর্মসূচীতে রয়েছে সরব উপস্থিতিও। দলের জন্য নিবেদীত প্রাণ এক নেতা জামাল হোসেন । শুধু রাজনীতিতেই নয় সামাজিক কাজেও উপজেলাব্যাপী প্রসংশা কুড়িয়েছে জামাল হোসেন মিয়া। দেশের নানা ক্রান্তিকালে মানবিক সেবা দিয়ে তিনি ইতোমধ্যে নগরকান্দা- সালথার গণমানুষের মনের মাঝে জায়গা করে নিয়েছেন। বহুমূখী মানবিক ও সেবামূলক কাজ করে তিনি উপজেলার সবার কাছে পরিচিতি পেয়েছেন মানবাতার ফেরিওয়ালা হিসাবে।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বার্তা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে দ্বারে দ্বারে ছুটছেন বলে জানিয়েছেন কর্মীবান্ধব এ নেতা। জানা গেছে, নগরকান্দা-সালথার রাজনীতিতে প্রতিহিংসা বিরাজমান। ক্ষমতাসীন সংসদের ছেলে স্থানীয় আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতাদের কোনঠাসা করতে প্রতিহিংসার রাজনীতি চলাচ্ছে বছরের পর বছর ধরে। এমপির রাজনৈতিক প্রতিনিধির মামলার- হামলার শিকার হয়ে অনেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। কেউ কেউ আবার ভয়ে রাজনীতি থেকেও অবসর নিয়েছেন। এমনকি জামাল হোসেন মিয়াও রাজনৈতিক পথচলায় বিভিন্ন সময়ে প্রতিপক্ষের আক্রোশে পড়ে নানা প্রকার ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা- হামলার শিকার হয়ছেন। নানা অন্যায় অত্যাচার সহ্য করেও দলের জন্য লড়ছেন। দলকে সুসংগঠিত করতে নির্ঘুম কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামীলী পরিবার থেকে উঠে আসা জামাল হোসেন মিয়ারও রয়েছে বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ার। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দিলে যখন জনজীবন স্থবির হয়ে গিয়েছিল সে সময়ে প্রায় ১১ হাজার পরিবারের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরন করেন জামাল হোসেন। এছাড়াও করোনা প্রতিরোধে মাস্ক,সাবান,হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরন এবং জনবহুল স্থানে হাত ধোয়ার ব্যাবস্থা করেছিলেন। সাধারন মানুষের জনকল্যানে নিবেদিত এ নেতা প্রতিবছর রমজানে প্রায় ২ হাজার পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরন করেন। পবিত্র ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতরেও ৩ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও ৫ হাজার অসহায় পরিবারের মাঝে নতুন কাপড় বিতরন করেন। এছাড়া এলাকার ৫ম ও ৮ম শ্রেনীর মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বই, খাতা, কলমসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরন প্রদান করেন। শীতে অসহায় শীতার্তদের মাঝে শীত বস্ত্র সহ এলাকার ভাংগা রাস্তা মেরামত ও শাকো পুল এবং মাটির রাস্তা নির্মান করে এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় সরকারী বরাদ্দ ছাড়াই সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে ব্রিজ, কালভার্ট, বাঁশের সাঁকো, মাটির কাঁচা রাস্তা, মসজিদ- মাদ্রাসা নির্মান, স্কুল নির্মান, গরিব অসহায় শিক্ষার্থীদের এককালিন নগদ অর্থ সহায়তা। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা ও ত্রান সামগ্রি বিতরণ ছাড়াও দুই উপজেলাবাসীর জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন সেবামূলক কাজ করছেন জামাল হোসেন। সামাজিক নানা উন্নয়নমূল কাজের সাথে দীর্ঘদিন ধরেই জড়িত রয়েছেন তিনি। উপজেলার অসহায় গৃহহীনদের কাচা-পাকা ঘর নির্মানে অর্থ সহায়তা দিচ্ছেন। এছাড়াও প্রত্যন্ত ইউনিয়নগুলোর মানুষের সুখে-দুঃখে তাদের পাশে এক কাতারে দাড়িয়ে রাস্তাঘাট উন্নয়ন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, সড়কবাতি স্থাপন, করোনাকালে কর্মহীনদের মধ্যে চাউল আলু বিতরণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, আগুণে পোড়া পরিবারকে আর্থিক সাহায্য প্রদান, অসুস্থ্য ব্যক্তিদের আর্থিক সাহায্য ও চিকিৎসার ব্যবস্থাসহ নানাবিধ জনকল্যাণমূলক কাজ করে আলো ছড়াচ্ছেন। এলাকায় তিনি বর্তমান সময়ের ব্যতিক্রম ও জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শের অনুপ্রাণিত ব্যক্তি হিসাবেও পরিচিতি পেয়েছেন। জামাল হোসেন মিয়া দেশের শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক কোম্পানি যমুনা গ্রুপের পরিচালক। তার চেয়ে বড় পরিচয় তিনি একজন মানবতার সেবক। ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার কৃতিসন্তান জামাল হোসেন নানা অপ্রতুলতার মধ্যেও খুঁজে বেড়ান অসুস্থ এবং অসহায় মানুষের। সেবা নিয়ে ছুট চলছে অবিরাম। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষ সকলের প্রয়োজনেই পাশে দাড়াচ্ছেন।

বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে অ্যাডভোকেট জামাল হোসেন মিয়া বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বার্তা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে আমি কাজ করছি। এছাড়া নগরকান্দা-সালথার জনগনের ইচ্ছায়ই আমি রাজনীতি করি। তাদের ভালবাসা ও সমর্থন আমাকে এই পর্যন্ত এনেছে। আমি বরাবরই জনগনকে নিয়ে রাজনীতি করি এবং করতে চাই। জনগনের অকুন্ঠ সমর্থনও আমার রাজনীতির একমাত্র শক্তি। তার প্রমান হলো আমি যখন গ্রামে যাই তখন হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে। ভালবাসা না থাকলে এতো মানুষ আমার কাছে আসতো না। আমিও আমার কর্মীদের মূল্যায়ন করি তাদের সুখে দুঃখে সবসময় পাশে থাকার চেষ্টা করি। আমার রাজনৈতিক পরিকল্পনা হলো আল্লাহ যদি কোনদিন আমাকে বড় কোন নেতৃত্বে আসিন করে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের অংশীদার হতে পারি তাহলে আমার নগরকান্দা-সালথার বেকারত্ব দুর করার জন্য এখানে শিল্প কারখানা স্থাপন করবো।

জামাল হোসেন আর বলেন, একালার মাদক, দুর্নীতি, সন্ত্রান, অনুপ্রবেশকারী হাইব্রিড ও রাজাকার মুক্ত করতে এবং আওয়ামীলীগকে সুসংগঠিত করতে আজীবন লড়ে যাবো ইনশাআল্লাহ।

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন – অ্যাডভোকেট জামাল হোসেন মিয়া কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক উপ-কমিটি সদস্য। এছাড়া তিনি নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক হিসাবে বর্তমান দায়িত্বে রয়েছেন। এরআগে তিনি যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) হিসাবে দীর্ঘদিন নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। জামাল হোসেন মিয়া ছাত্রজীবন থেকেই আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তিনি ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক ছিলেন। ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজে অধ্যায়নকালে তিনি রাজেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র-ছাত্রী সংসদ (রুকসু) সাধারন সম্পাদক (জি.এস) ও সহ-সাধারন সম্পাদক (এ.জি.এস) নির্বাচিত হয়েছিলেন। জামাল হোসেন মিয়ার রাজনৈতিক হাতেখড়ি শুরু হয় তালমা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার মধ্যে দিয়ে। তারপরে তিনি পর্যায়ক্রমে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি পরবর্তিতে নগরকান্দা উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।

দয়া করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2021 Janatarnissash
Theme Dwonload From