বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০২:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
‘হাবিবি’ নিয়ে আসছেন নুসরাত ফারিয়া “এসো নিজেকে নিজে চিনি” পরিবার আয়োজিত বাউল গানের প্রতিযোগিতার গ্রান্ড ফিনালে ২০ অক্টোবর শুধুমাত্র অনুদানের সিনেমা দিয়েই মুখর সিনেপাড়া বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ও স্কটল্যান্ডের সম্ভাব্য একাদশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দেখা যাবে যেসব চ্যানেলে ‘বাংলাদেশকে আমরা পাপুয়া নিউগিনির চেয়ে ওপরে দেখি না’: স্কটল্যান্ড কোচ শেন বার্জার টি ২০ বিশ্বকাপ ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে আজ শুরু ইভ্যালির ওয়েবসাইট-অ্যাপ বন্ধের ঘোষণা কুমিল্লার ঘটনার পেছনের কারণ খোঁজা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ‘দেশ বিক্রি করে তো আমি ক্ষমতায় আসব না’ এটাই বাস্তব

‘বাধ্য হয়ে যত দূর সম্ভব হেঁটে যাই, বাকিটা রিকশায়’

কাউসার আলম
  • প্রকাশ সময়ঃ বুধবার, ৩০ জুন, ২০২১
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

আবদুর রহমান বুধবার বলেন, ‘এভাবে চলতে থাকলে বেতনের সব টাকা শুধু যাতায়াতে খরচ হয়ে যাবে। এমনিতেই ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার খরচ এবং প্রতিদিনের বাজারের টাকার জোগান দিতে দেনা বেড়ে গেছে। তাই টাকা বাঁচাতে বাধ্য হয়ে যত দূর সম্ভব হেঁটে যাই, বাকিটা রিকশায় শেয়ার করে যাওয়া গেলে যাই।’
সরকারঘোষিত লকডাউনের কারণে গত সোমবার থেকে ঢাকায় গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের কর্মজীবীদের কর্মস্থলে যেতে পড়তে হয় নানা বিড়ম্বনায়।

বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পুরান ঢাকা, গুলিস্তান, নয়াপল্টন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কর্মস্থলে ও জরুরি কাজে যেতে রাস্তার মোড়ে মোড়ে যাত্রীদের ভিড়। রিকশাচালকেরা অটোরিকশার সমান ভাড়া চাচ্ছেন। এদিকে যাত্রীর তুলনায় রিকশার সংখ্যা কম।

বাবাকে নিয়ে হাসপাতালে যেতে বেরিয়েছিলেন পল্টন মোড়ে দুই ঘণ্টা দাঁড়িয়েও ধানমন্ডিতে যাওয়ার রিকশা পাননি তাঁরা।

সৈকত মাহমুদ বলেন, মানুষ বেশি। যখনই কোনো ফাঁকা রিকশা আসছে, সবাই হুড়োহুড়ি শুরু করে দিচ্ছে। বাবাকে নিয়ে তো আর হুড়োহুড়ি করা সম্ভব নয়। দেখি কতক্ষণে রিকশা পাওয়া যায়, হেঁটে যাওয়া সম্ভব নয়।

অনেক জায়গায় মহানগর পুলিশের নির্দেশনা অমান্য করে মোটরসাইকেলে যাত্রী পরিবহন করতে দেখা যায়। তবে পুলিশের চেকপোস্টের কাছাকাছি এসে যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হয়।

বিধিনিষেধ অনুযায়ী সড়কের দুই পাশের দোকানগুলো বন্ধ। রাস্তায় তীব্র যানজট। রিকশা ও পণ্যবাহী পরিবহন চলার পথ নেই। এদিকে প্রতিটি মার্কেটের প্রধান ফটকগুলো খোলা, আর ফুটপাতের ওপর দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে মালিক ও কর্মচারীরা। পরিচিত ক্রেতা এসে মালিক-কর্মচারীদের পণ্যের বিষয় জানাচ্ছেন। টাকা দিয়ে পণ্য নিয়ে চলে যাচ্ছেন ক্রেতারা।

এই দৃশ্য পুরান ঢাকার নবাবপুর রোডে। এমন অবস্থা ছিল পুরান ঢাকার অন্যান্য সড়ক ও বাণিজ্যিক এলাকাগুলোতেও।

বিধিনিষেধের মধ্যে এভাবে বেচাবিক্রির পক্ষে যুক্তি হিসেবে সংসার চালানো এবং দোকানভাড়া ও কর্মচারীদের বেতন দিতে ঝুঁকি নেওয়ার কথা বলেন ক্রেতা–বিক্রেতারা।

দয়া করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2021 Janatarnissash
Theme Dwonload From