শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:১৩ অপরাহ্ন

জোরারগঞ্জ থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা, বিবাদির দাবি ‘এটা উদ্দেশ্য প্রণোদিত’

জ.নি. রিপোর্টঃ
  • প্রকাশ সময়ঃ মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম ও তার সহকর্মীসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে জোরারগঞ্জ থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেছেন নুর উল্লাহ নামের এক ব্যক্তি। সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম এবং বাদী নুর উল্লাহ পাশাপাশি গ্রামের বাসিন্দা।

সাইফুল ইসলামের দাবি, হামলার সময় তিনি এবং সহকর্মী রাব্বী চট্টগ্রাম শহরে অবস্থান করছিলেন। নুর উল্লাহ জোরারগঞ্জের পশ্চিম কাটাছড়ার হাজী শফিউল্লাহ ডিলারের ছেলে।

এর আগে ২৩ আগস্ট রাত ১০টায় বাড়ি ফেরার সময় সাত্তার ভূঁইয়া হাট বাজারে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা একদল সন্ত্রাসী তার বাবার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় সন্ত্রাসীরা ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে ফেলে চলে যায়। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা।

হামলার দু’দিন পর গত ২৫ আগস্ট নুর উল্লাহ জোরারগঞ্জ থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। মামলায় সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম, তার অফিস স্টাফ রাব্বি, আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন হায়দার রাজু ও সাইফুলের পারিবারিক কাজে ভাড়ায় ব্যবহৃত সিএনজি ড্রাইভার শাহ আলমসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও কয়জনকে আসামি করা হয়।

এ বিষয়ে সাইফুল ইসলাম বলেন, আমার প্রতিবেশী নুর উল্লাহর ওপর হামলার ঘটনা অবশ্যই নিন্দনীয়। পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনায় আমাকে আসামি করা হয়েছে। হামলায় আহত হওয়ার পরে কারো প্ররোচণায় প্রকৃত অপরাধিদের আড়াল করতে এবং প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে আমাকে হয়রানি করতে আমার নাম দেওয়া হয়েছে। নুর উল্লাহর সঙ্গে একটা সম্পত্তি (দীঘি) নিয়ে বিরোধ রয়েছে, আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে তা সমাধানের জন্য আইনের আশ্রয়ে নিয়েছি, যা চলমান।

এক নম্বর আসামি করায় বিস্ময় প্রকাশ করে সাইফুল ইসলাম বলেন, হামলার সময় আমি ওই এলাকাতেই ছিলাম না। আমি চট্টগ্রামে নিজের বাসায় ছিলাম, রাব্বী ও এই সময় চট্টগ্রাম শহরে ছিল। আরেক আসামি আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন হায়দার রাজু তার বাড়িতেই ছিলেন। আমি এবং আমার স্টাফ রাব্বীর ওই সময়ের অবস্থান যার যার অবস্থানকালীন স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে। উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমাদের নাম জড়ানো হচ্ছে।

এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুর হোসেন মামুন বলেন, মামলার তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। যারা নুর উল্লাহর উপর হামলা চালিয়েছে তাদেরকে খুঁজে বের করা হবে। তবে নিরাপরাধ কাউকে অভিযুক্ত করা হবে না।

দয়া করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2021 Janatarnissash
Theme Dwonload From