সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন

১১৮ বছরে খুব বেশি নেই মেয়ার্সের এই কীর্তি

কাউসার আলম
  • আপডেট সময়ঃ রবিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১০ বার পঠিত

রেকর্ড বইয়ে দলটা খুব ছোট! সেই ছোট্ট দলের অংশ হয়েই ইতিহাস গড়লেন কাইল মেয়ার্স। অভিষেক টেস্ট খেলতে নেমেই ডাবল সেঞ্চুরি। ক্রিকেট ইতিহাসে এমন অসাধারণ কীর্তি গড়া মাত্র ষষ্ঠ ক্রিকেটার তিনি।

প্রথম ইনিংসেই জানান দিয়েছিলেন টেস্ট খেলার সামর্থ্য খারাপ না মেয়ার্সের। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে এলবিডব্লু হয়ে ৪০ রানের ইনিংসটির অপমৃত্যু ঘটেছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে দলের বিপর্যয়ের মধ্যে চোয়ালবদ্ধ করে মাঠে নেমেছিলেন। আরেক অভিষিক্ত এনক্রুমা বোনারের সঙ্গে ২১৬ রানের অসাধারণ এক জুটি গড়লেন।

বাংলাদেশকে একাই হারালেন মেয়ার্স।

বাংলাদেশকে একাই হারালেন মেয়ার্স।

চতুর্থ ইনিংসে এ দুজনের ২১৬ রানের জুটি দুই অভিষিক্তের মধ্যকার সর্বোচ্চ। দারুণ এই জুটি লিখে দিল ম্যাচের ভাগ্য। চা-বিরতির পর বোনার ফিরলেও ডাবল সেঞ্চুরি করে দল জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন মেয়ার্স। অভিষেকে ডাবল সেঞ্চুরি করা ষষ্ঠ ক্রিকেটার তো হয়েছেনই, আরও একটা অনন্য কীর্তি দিয়ে টেস্টের ইতিহাসে নিজেকে অমর করে রাখলেন তিনি—অভিষেকে চতুর্থ ইনিংসে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড যে আর কারোরই নেই!

অভিষেক টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি প্রথম এসেছিল ১১৮ বছর আগে। ১৯০৩ সালে ২৮৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন টিপ ফস্টার। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিডনিতে এ অসাধারণ কীর্তি গড়েছিলেন ইংলিশ ব্যাটসম্যান। এরপর দীর্ঘ ৬৯ বছরের বিরতি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের লরেন্স রো নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে কিংস্টনে খেললেন ২১৪ রানের ইনিংস।

১৯৮৭ সালে শ্রীলঙ্কার ব্রেন্ডন কুরুপ্পু যোগ দিলেন এ দলে। তাঁর ইনিংসটি ছিল কলম্বোতে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এ কীর্তির শিকার হওয়া নিউজিল্যান্ড সে কীর্তিতে নাম লেখাল ১৯৯৯ সালে। ম্যাথু সিনক্লেয়ারের কীর্তি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়েলিংটনে। টিপ ফস্টারের কীর্তির ঠিক ১০০ বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকার জ্যাকুয়েস রুডলফ অভিষেকে আরও একটি ডাবল সেঞ্চুরি করেন, এই চট্টগ্রামেই, বাংলাদেশের বিপক্ষে। সেটি অবশ্য এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে।

অভিষেকে কেবল ষষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি মেয়ার্সের।

অভিষেকে কেবল ষষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি মেয়ার্সের।

মেয়ার্সের এই কীর্তি চট্টগ্রামকেও দ্বিতীয়বারের মতো ইতিহাসের অংশ করল। অভিষেকে ডাবল সেঞ্চুরির মঞ্চ হিসেবে দ্বিতীয়বার ইতিহাসে নাম উঠল এই শহরের। ১৮ বছর আগে জ্যাক রুডলফের পর এবার মেয়ার্স।

ক্যারিবীয় ক্রিকেট ইতিহাসের অংশ হয়ে যাওয়া মেয়ার্স কিন্তু ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে। ১৩০ কিলোমিটারের আশপাশের গতিতে বোলিং করতেন বয়সভিত্তিক দলেই। ২০১২ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে চতুর্থ সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি ১১.৮৩ গড়ে ১২ উইকেট নিয়েছিলেন।

নিউজটি সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

Find Us

Address
123 Main Street
New York, NY 10001

Hours
Monday–Friday: 9:00AM–5:00PM
Saturday & Sunday: 11:00AM–3:00PM

© All rights reserved © Janatarnissash 2021

কারিগরি সহযোগিতায়: Freelancer Zone
11223