সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২, ১১:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
যে যাই ভাবুকনা কেন, চেতনাতে বঙ্গবন্ধু; “নির্মম আগস্ট” গানটি প্রসঙ্গে শিল্পী কাশেম হায়দার আদিত্য আলম মানবিক কাজের জন্য সম্মাননা পেলেন DLM লন্ডন ভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের শাপলা মিডিয়ার সেলিম খানের বিরুদ্ধে নেপথ্যে ষড়যন্ত্র যখন তেলের দাম বেশি তখন ভরসা সাইকেল টাকা ঢাললেই সিনেমা হিট হয়নাঃ সালাহ্ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরী তিন বছর পর অভিনয়ে ফিরলেন শক্তিমান অভিনেতা আদিত‍্য আলম নতুন গানে মুন্না খান ও রাবিনা বৃষ্টি’র ‘কে বল তোকে বাসবে ভালো’ প্রথম দিনের অগ্রিম টিকেট বিক্রিতে এগিয়ে আমিরের ‘লাল সিং চাড্ডা’ মুন্না খান ও সোনিয়া লাজুকের নতুন গান “মনের মাঝে আছিস রে তুই” যশোরের মাদক ব্যবসায়ী আসিফের দৌরাত্ম্য

কৌতুক অভিনেতা দিলদার এর মৃত্যু বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা

সুহৃদ রোমিও
  • প্রকাশ সময়ঃ বুধবার, ১৩ জুলাই, ২০২২
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে
জন্ম: ১৩ জানুয়ারি ১৯৪৫
মৃত্যু: জুলাই ১৩, ২০০৩
বাংলা চলচ্চিত্রে অম্যতম কৌতুক অভিনেতা দিলদার। কৌতুক অভিনেতা হিসেবেই তার পরিচিতি ছিল। বাংলা চলচ্চিত্রে সবচেয়ে বেশি হাসির খোরাক যোগানো মানুষটির নাম দিলদার। ২০০৩ সালের ১৩ জুলাই তারিখে মারা যান অসম্ভব জনপ্রিয় এই মানুষটি। মৃত্যুর একই বছরে অভিনয় জীবনে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।
তিনি চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন ১৯৭৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত কেন এমন হয় চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে।
তিনি ২০০৩ সালে সেরা কৌতুক অভিনেতা হিসেবে তুমি শুধু আমার চলচ্চিত্রের জন্যে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
এই অভিনেতা মারা যাওয়ার সময় বিভিন্ন প্রযোজকের কাছে প্রায় ৮০ লাখ টাকা পারিশ্রমিক পেতেন। পরিবারের দুঃসময়ে এই টাকা তাঁরা পাননি। এই বিষয়ে তাঁর বড় মেয়ে বলেন, ‘বাবা কখনো কারও কাছে এক-দুবারের বেশি টাকা চাইতেন না। এ জন্য তিনি বেশির ভাগ সময় পারিশ্রমিক অগ্রিম নিয়ে নিতেন। কিন্তু অনেক সময় পরিচিত, কাছের প্রযোজকদের কাছে অগ্রিম টাকা চাইতেন না। এভাবে বাবার পাওনা ৮০ লাখ টাকা জমা হয়েছে। ওই সময় প্রযোজকদের কাছ থেকে বাবার পাওয়া ৩৫ লাখ টাকার চেক বাসায় ছিল, সেই টাকাও ওই সময় আমরা পাইনি। এখন আর চাই না।
বাংলা চলচ্চিত্রে অন্যতম কৌতুক অভিনেতা দিলদার। কৌতুক অভিনেতা হিসেবেই তার পরিচিতি ছিল।
বাংলা চলচ্চিত্রে সবচেয়ে বেশি হাস্যরস ফুটিয়ে তোলার মানুষটির নাম দিলদার।
গুণী এই অভিনেতা ২০০৩ সালে আজকের ১৩ জুলাই মারা যান।
২০ বছর বয়সে তিনি প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান। তার পর থেকেই নিজের জগৎ চেনাতে থাকেন এই অভিনেতা। দিনে দিনে তিনি কৌতুক অভিনেতা হিসেবে অপ্রতিদ্বন্দ্বী, অনন্য প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে থাকেন বাংলা চলচ্চিত্রে। একসময় তাঁর জন্য লেখা হতে থাকে আলাদা গল্প। এমনও সময় গেছে, প্রযোজকদের আস্থা ছিল দিলদার মানে হিট ছবি। মানুষকে হাসিয়েই তিনি পেয়েছেন যেমন খ্যাতি, তেমনি কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। তিনি মারা যাওয়ার পর বাংলা চলচ্চিত্রে কৌতুক অভিনয়ের সেই জায়গাটা এখনো খালি রয়ে গেছে। শক্তিমান এই অভিনেতা জীবদ্দশায় এই শূন্যতা নিয়ে ভাবতেন। তিনি জনপ্রিয় হিসেবে নায়কদের চেয়েও কোনো অংশে কম ছিলেন না
তার মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম চলচ্চিত্র ‘কেন এমন হয়’। এই ছবির মাধ্যমেই অভিনয়ে অভিষেক। ধীরে ধীরে অপ্রতিদ্বন্দ্বী কৌতুক অভিনেতার আসন দখল করে নেন তিনি। দিলদারের জনপ্রিয়তা এতটাই তুঙ্গে ছিল যে, তাকে নায়ক করেই নির্মাণ করা হয়েছিল ‘আব্দুল্লাহ’ নামে একটি চলচ্চিত্র। এমন অনেক ছবি ছিল শুধু তার জন্য ছবির স্ক্রিপ্ট আলাদা ভাবে লেখা হত। দিলদারের সমসাময়িক কৌতুক অভিনেতাদের মধ্যে ছিল টেলি সামাদ। দিলদারের অভিনীত অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে ‘বেদের মেয়ে জোসনা’ ‘বিক্ষোভ’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘কন্যাদান’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘সুন্দর আলী জীবন সংসার’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘শান্ত কেন মাস্তান’ ‘গাড়িয়াল ভাই’, ‘অচিন দেশের রাজকুমার’, ‘প্রেম যমুনা’, ‘বাঁশিওয়ালা’ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। ২০০৩ সালে সেরা কৌতুক অভিনেতা হিসেবে ‘তুমি শুধু আমার’ চলচ্চিত্রের জন্যে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
২০০৩ সালের ১৩ জুলাই তারিখে মারা যান অসম্ভব জনপ্রিয় এই মানুষটি। পরে তাকে ঢাকার ডেমরায় অবস্থিত সানারপাড় এলাকার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
দিলদার চাঁদপুর জেলার সদর উপজেলার শাহতলী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি এসএসসি পাস করার পর পড়ালেখা ছেড়ে দেন। দিলদারের স্ত্রীর নাম রোকেয়া বেগম। এই দম্পতির দুই কন্যা সন্তান। বিএনপি’র অঙ্গ সংগঠন জিয়া সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি ছিলেন দিলদার। কিন্তু মারা যাওয়ার পর প্রথম তিন/চার বছর সংগঠনটি দিলদারের মৃতুবার্ষিকী পালন করত।

দয়া করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2022 Janatarnissash
Theme Dwonload From